|
চাঁদের ঠিক নিচেই শুক্র গ্রহ, বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য, জানুন আসল রহস্য
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
চাঁদের ঠিক নিচেই শুক্র গ্রহ, বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য, জানুন আসল রহস্য এরই সঙ্গে শুরু হয় আলোচনা, জল্পনা। আসলে কী কোনও তারা, কোনও গ্রহ নাকি অন্য কিছু, মহাকাশের মহাজাগতিক আলো নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ইতিমধ্যে জ্যোর্তিবিজ্ঞানীরা খতিয়ে দেখতে শুরু করেন, আলোটি আসলে কিসের? জানা যায়, আসলে শুক্রগ্রহের আলো ছটায় তৈরি হয়েছে ওই আলোর বিন্দু। সৌরজগতের সবথেকে উষ্ণ গ্রহটি হল, শুক্র। সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল গ্রহও এটি। যা শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা নামেও পরিচিত। সেই শুকতারাকে এবারে চাঁদের কাছাকাছি আসতে দেখা গেল। খোদ শুক্রবারেই শুক্রের এহেন মহাজাগতিক কর্মকাণ্ডের সাক্ষী থাকল বাংলাদেশ। কয়েকদিন আগেই কাছাকাছি এসেছিল শুক্র এবং বৃহস্পতি গ্রহ। আর এদিন সূর্য ডুবতেই অর্ধ চাঁদের ঠিক নিচেই দেখা গেল সন্ধ্যাতারাকে। উজ্জ্বল একটি বিন্দু। ক্রমে বিন্দুটিকে কিছু সময়ের জন্য ঢেকে দেয় চাঁদ। বাংলাদেশের অনেক জায়গা থেকেই দেখা গেল এই দৃশ্য। দৃশ্যটি দেখার ধুম পড়ে যায় শহরবাসীদের মধ্যে। অনেকেই নিজের মোবাইল ফোনে এই মহাজাগতিক দৃশ্য বন্দি করে রাখেন। মহাকাশ বিশেষজ্ঞর কথায়, “শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে চাঁদের নিচে এক উজ্জ্বল তারাকে দেখা যাচ্ছে। কিন্তু এটি তারা নয়। এটি শুক্র গ্রহ। সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে গিয়ে অনেক সময় গ্রহগুলি পরস্পর কিংবা চাঁদের সঙ্গে একই রেখায় চলে আসে।” শুক্র গ্রহকে নিয়ে এমনিতেই বিশেষজ্ঞদের কৌতূহল তুঙ্গে। সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ বুধ হলেও শুক্র সৌরজগতের উষ্ণতম গ্রহ। যা আকারে পৃথিবীর কাছাকাছি। ফলে একে পৃথিবীর জমজ গ্রহ-ও বলা হয়ে থাকে। শুধু তাই নয়। একদল বিজ্ঞানীর দাবি, শুক্র উষ্ণতম গ্রহ হওয়া সত্ত্বেও সেখানে প্রাণের অস্তিত্ব থাকতে পারে। কারণ গ্রহটির বায়ুমণ্ডলে যে মেঘ রয়েছে, অ্যামোনিয়াম সল্ট রয়েছে তাতে। যা জীবন সৃষ্টির অন্যতম প্রধান উপাদান। ভারতের জ্যোর্তিবিজ্ঞানী দেবীপ্রসাদ দুয়ারি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পরই দেখা যায়, একফালি চাঁদের ঠিক নিচে জ্বলজ্বল করছে এক আলোকবিন্দু। ওই উজ্জ্বল আলোকবস্তুটি আসলে শুক্র গ্রহ। সন্ধার কিছু আগে চাঁদ ঢেকে ফেলেছিল শুক্র গ্রহকে (Venus) । যেন বলা যায়, শুক্র গ্রহের গ্রহণ হচ্ছিল। ৬ টা ৮ মিনিটের মাথায় গ্রহণ ছেড়ে তা বেরিয়ে আসে। যার পর আস্তে আস্তে আস্তে চাঁদ ও শুক্রের মধ্যে ব্যবধান খানিক বাড়তে শুরু করে। যার ফলেই তৈরি হয় এই আলো। অবশ্য মহাজাগতিক অদ্ভুত সুন্দর এক ঘটনা। যেটা সাধারণ মানুষ খালিচোখে দেখতে পেলেন।
এদিকে, এবছর দু'বার সূর্যগ্রহণ হবে। ২০ এপ্রিল এবং ১৪ অক্টোবর, এই দু'দিন সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে। জানা গেছে, ২০ এপ্রিল পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগর সংলগ্ন অঞ্চল এবং আন্টার্কটিকা থেকে। এছাড়াও ১৪ অক্টোবর দেখা যাবে annular solar eclipse বা বলয়গ্রাস সূর্যগ্রহণ। মার্কিন স্পেস এজেন্সি নাসা জানিয়েছে, সূর্যগ্রহণের মতো এই বছর চন্দ্রগ্রহণও দেখা যাবে দু'বার। ৫ মে দেখা যাবে penumbral lunar eclipse। আর ২৮ অক্টোবর দেখা যাবে Partial Lunar Eclipse বা আংশিক চন্দ্রগ্রহণ। ৫ তারিখের চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে আফ্রকা, এশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন অংশ থেকে। অন্যদিকে ২৮ অক্টোবরের আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে ইউরোপ, আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশ থেকে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
খাগড়াছড়িতে প্রাইম ব্যাংক জাতীয় স্কুল ক্রিকেটের ফাইনালে পুলিশ লাইন্স স্কুল চ্যাম্পিয়ন, সাইফাতের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি
তেঁতুলিয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল লেখক সমিতির দ্বি- বার্ষিক নির্বাচন
মধুখালীতে নবাগত ওসির সাথে প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময়
বাঘাইছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০০ লিটার অবৈধ পেট্রোল জব্দ
