স্থানীয় কৃষক আব্দুর রশিদ শখের বসে সংগ্রহ করে, ছম ছম সুপার সনিকা কালো জাতের ৩০০টি চারা গাছ।
এক বিঘা জমিতে চাষ শুরু করে ৩০০টি আঙ্গুর গাছ লাগিয়ে ফলন ভালো পেয়েছে বাগানি আব্দুর রশিদ।
শুরুতে এক বিঘা জমিতে খরচ হয় ২.৫০.০০০ টাকা। ফলন ভালো হওয়ায় আগ্রহ দেখাচ্ছে অনেক কৃষক।
কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, বর্তমানে ২ বিঘা ১৫ কাঠা জমিতে আঙ্গুর আছে আমার। গাছের চারা গুলা বেশিরভাগ দেশের বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয়, এবং দেশের বাহিরে যে সব প্রবাসী ইনপোর্টার ভাই আছে তাদের মাধ্যমে সংগ্রহ করা হয়।
বর্তমানে আব্দুর রশিদ এগ্রো ফার্ম গড়ে তুলেছেন তিনি। যেখানে ১৮ টি জাতের আঙ্গুর আছে।
দৃষ্টিনন্দন হওয়ায় প্রতিদিন আঙ্গুর বাগান দেখতে আসছে শত শত মানুষ। প্রতি কেজি আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি দরে।
ডি ডি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষি বিভাগ ষষ্টিচন্দ্র রায় বলেছেন, আঙ্গুর ঝুলন্ত অবস্থায় আছে এবং ফসলের অবস্থা অনেক ভালো, এই চাষটি সম্প্রসারণ এর জন্য কারিগরি পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।
আঙ্গুর উৎপাদনে জৈব সার ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং উৎসাহিত দেওয়া হচ্ছে অন্যদেরও।