|
তাড়াশে মাল্টা চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন চাষিরা মালটা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন
সাব্বির মির্জা, তাড়াশ
|
![]() তাড়াশে মাল্টা চাষ লাভজনক হওয়ায় দিন দিন চাষিরা মালটা চাষে ঝুঁকে পড়েছেন তিনি প্রতিমন মাল্টা ২,৬০০/-(দুইহাজার ছয়শত) টাকা দরে বিক্রি করেছেন বলে জানান। তিনি আরোও জানান এক বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ করতে সর্বাধিক-৩৫,০০০/-(পঁয়ত্রিশ হাজার) টাকা খরচ হয়। সে বাগান থেকে ২য় পর্য্যায়ে আরোও ১০০ (একশত) মন মাল্টা উত্তোলোন করবে বলে জানান। এক গাছে সর্বাধিক ৩ (তিন) মন পর্যন্ত মাল্টা ধরে বলে জানান। প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় মাল্টা ধরে আছে, এতে করে এ এলাকায় একটা মনোমগ্ধকর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী অনেকেই জানান কৃষি ক্ষেত্রে মাল্টা চাষ নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। তার এ মাল্টা চাষ দেখে এলাকায় নতুন নতুন চাষিরা মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন বলে এলাকাবাসী জানান। সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে গেলে দেখা যায় এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাল্টা চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। তবে অন্যান্য ফসলের দাম কমে যাওয়ায় এবং চাষাবাদের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এ এলাকার অনেক চাষি এখন মাল্টা চাষের দিকে ঝুঁকছেন। এলাকার কৃষকগণ বলেন নতুন জাতের ফল ও ফসলের প্রতি সবারই আগ্রহ একটু বেশি থাকে। এছাড়া স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করা যেকোন ফলের প্রতি ক্রেতাদেরও আগ্রহ একটু বেশি থাকে এতে করে ভালো দাম পাওয়া যায়। এ কারণে এলাকার কৃষকগণ মাল্টা চাষের প্রতি তাদের আগ্রহ বাড়িয়েছেন। এছাড়া এ এলাকার আবহাওয়া মাল্টা চাষের অনুকুলে থাকে এবং মাল্টা গাছ প্রাকৃতিক দূর্যোগ সহিষ্ণু বলে চাষিরা জানান। মাল্টা চাষ লাভজনক হওয়ায় এ এলাকার কৃষকগণ ও বেকার যুবকেরা স্স্বুাদু ও পুষ্টিকর রসালো ফল সহ অন্যান্য চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। এ এলাকায় শতাধিক মাল্টার বাগান রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। এ কর্মের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৮০০ আট শতাধিক বেকার ছেলে-মেয়েদের কর্ম-সংস্থান হয়েছে। এ এলাকার মাল্টা মানব দেহের ক্ষতিকারক কোন প্রকার কীটনাশক ও রাসায়নিক কেমিক্যাল ছাড়াই বাজারজাত করা হয় বলে চাষিরা জানান। মাল্টা চাষের সাথে জড়িত কৃষকগণ জানান একটি মাল্টা গাছ রোপণ থেকে শুরু করে ১৮ (আঠার) মাস পর থেকে ফল দেওয়া শুরু করে বছরে ২ বার ফল দেয় বলে জানান। বিদেশী আমদানিকৃত ১কেজি মাল্টার দাম-৩২০/-(তিনশত) টাকা পক্ষান্তরে এ এলাকার উৎপাদনকৃত মাল্টার দাম-৬৫/-(পঁয়ষট্টি) টাকা। একজন প্রান্তিক চাষির পক্ষে বিদেশী ১ কেজি মাল্টা কিনে খাওয়া খুবই কষ্টকর। তবে এলাকার উৎপাদিত মাল্টা কিনে সম্ভব বলে অনেক কৃষকগণ জানান। এ এলাকার মাল্টা এলাকার চাহিদা মেটানোর পর দেশের অন্যান্য প্রান্তে যাচ্ছে বলে কৃষকগণ জানান। এ ব্যাপারে তাড়াশ উপজেলার কৃষি কর্মকতা শমিষ্ঠা সেন গুপ্তা জানান, মাল্টা চাষিদের সহযোগিতা করার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যাতে মাল্টা চাষি তার বাগান থেকে ফল তুলে নির্বিঘ্নে বাজারজাত করতে পারে। এ ছাড়া তিনি আরোও বলেন দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটিতে ভাল জাতের মাল্টার চারা গাছ রোপণ করে তা যথাযথ নিবিড় পরিচর্য্যায় মাল্টার ফলন ভালো হয়। মাল্টা চাষে কেহ আগ্রহ প্রকাশ করলে তাকে কৃষি অফিসের তরফ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
