|
বাগমারায় বিএনপি নেতার লাইসেন্সে অবৈধ মজুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে সার জব্দ
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() বাগমারায় বিএনপি নেতার লাইসেন্সে অবৈধ মজুদ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বাড়িতে সার জব্দ জানা যায়, জব্দ করা সারের মালিক ওয়ারেস আলী (৩৫) ভবানীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি। তিনি ভবানীগঞ্জের গরুহাটায় খুচরা সার বিক্রি করেন। এর আগে গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুর রাজ্জাক জানান, খুচরা বিক্রেতা হিসেবে ওয়ারেস আলীর বৈধ নিবন্ধন রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী ডিলারদের কাছ থেকে সার কিনে দোকানে মজুত রেখে তিনি খুচরা বিক্রি করতে পারেন। তবে ব্যক্তিগত বাড়িতে এত বড় পরিমাণ সার মজুত রাখা সন্দেহজনক। বিষয়টি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়িটিতে সার মজুতের খবর পেয়ে পুলিশ ও কৃষি দপ্তর যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ওয়ারেস আলী পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি। পরে বাড়ির একটি কক্ষ থেকে ২০০ বস্তা টিএসপি, ২০০ বস্তা ডিএপি এবং ৪৪ বস্তা এমওপি সার উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে বাড়িটি সিলগালা করা হয়। পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে—দুজন ডিলারের লাইসেন্স ব্যবহার করে ওয়ারেস আলী সার ব্যবসা পরিচালনা করতেন। তবে নিজের বাড়িতে এত বিপুল পরিমাণ সার মজুত রাখার উদ্দেশ্য ছিল কালোবাজারে বিক্রি করা। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, সমন্বিত সার নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত ডিলার পয়েন্ট ছাড়া অন্য কোথাও সার মজুত রাখা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ব্যক্তিগত বাড়িতে সার রাখা আইন লঙ্ঘনের শামিল। অভিযোগ অস্বীকার করে ওয়ারেস আলী দাবি করেন, জব্দ করা সব সার বৈধভাবে কেনা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র রয়েছে। তিনি জানান, উপজেলা বিএনপির একজন নেতা ও পৌর আওয়ামী লীগের এক নেতার লাইসেন্স ব্যবহার করে সার ব্যবসা করেন। বাজারের দোকানে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় বাধ্য হয়ে বাড়িতে সার রাখেন। এই ঘটনায় বাগমারা থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে, এবং অভিযুক্ত নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
