|
কুমিল্লা–২ আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() কুমিল্লা–২ আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়। ধরপাকড়ের আশঙ্কায় ঘটনাস্থল শ্রীমদ্দী গ্রাম প্রায় পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে। টানা উত্তেজনার কারণে এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ![]() কুমিল্লা–২ আসনে বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ এ ঘটনায় বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী (তালা মার্কা) ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খান একে অপরকে দায়ী করে আলাদা আলাদা বিবৃতি দিয়েছেন। পাশাপাশি তারা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের কাছেও লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিএনপি প্রার্থী অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া এক বিবৃতিতে বলেন, প্রচারণার প্রথম দিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হোমনা–শ্রীমদ্দী ওভারব্রিজের নিচে বিএনপির শান্তিপূর্ণ অবস্থান ও আলোচনা সভা চলাকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল মতিন খানের সমর্থকরা হামলা, ভাঙচুর ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এতে বিএনপির অন্তত অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হন। তিনি অভিযোগ করেন, এ সময় বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ ও অশালীন স্লোগান দেওয়া হয়, যা রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির পরিপন্থী। অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া আরও বলেন, বিএনপি শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। পরিকল্পিত এই হামলার মাধ্যমে একটি মহল নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এবং ভয়ভীতি সৃষ্টি করে বিএনপির জনপ্রিয়তা ঠেকাতে চায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তিনি প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে কোনোভাবেই যেন প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিএনপির নেতাকর্মী বা সাধারণ জনগণকে হয়রানি করা না হয়, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মতিন খান অভিযোগ করে বলেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্রীমদ্দী গ্রামে সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আব্দুল জলিলের কবর জিয়ারতের মাধ্যমে তিনি নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করতে যান। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর সমর্থকরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে তার সমর্থকদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তার নির্বাচনী কার্যক্রম ব্যাহত হয় বলে তিনি দাবি করেন। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষই একে অপরকে দায়ী করায় রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কুমিল্লা–২ আসনের সর্বস্তরের জনগণ এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি আসন্ন নির্বাচন যেন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
