|
শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে হাজিরে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির আদেশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় বুধবার ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এ আদেশ দেয়। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন— বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রারকে একটি বাংলা ও একটি ইংরেজি দৈনিকে আসামিদের হাজির হওয়ার এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য ১৫ মার্চ দিন ধার্য করা হয়েছে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহ। শুনানিতে তিনি আসামিদের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতকে জানান। আদেশের পর প্রসিকিউটর তারেক আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা আসামিদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়েও তাদের খুঁজে পাননি। এই প্রেক্ষাপটে ১২ আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আবেদন জানানো হয়। পরে ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি মঞ্জুর করে।" মামলার নথি অনুযায়ী, এ মামলার প্রধান আসামি নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান। এছাড়া আসামির তালিকায় তার ছেলে ইমতিনান ওসমান অয়ন ওরফে অয়ন ওসমান এবং ভাতিজা আজমেরী ওসমান রয়েছেন। তবে তদন্তের স্বার্থে মামলার বাকি আসামিদের নাম এখনও প্রকাশ করেনি প্রসিকিউশন। গত ১৯ জানুয়ারি ১২ জনের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশনের দেওয়া আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নিয়ে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল ট্রাইব্যুনাল। প্রসিকিউশনের অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৯ ও ২১ জুলাই এবং ৫ অগাস্ট নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা ও সাইনবোর্ড এলাকায় ১০ জনকে হত্যা করা হয়। ছাত্র-জনতার গণআন্দোলন চলাকালে আসামিরা সবাই অস্ত্রধারী ছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শামীম ওসমানসহ ১২ জনকে আসামি করে মামলায় মানবতাবিরোধী অপরাধের তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
