ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
রামিসা হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে আইনি সেবা দিবে না ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Friday, 22 May, 2026, 1:09 PM
সর্বশেষ আপডেট: Friday, 22 May, 2026, 9:13 PM

রামিসা হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে আইনি সেবা দিবে না ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা

রামিসা হত্যা মামলা: আসামিপক্ষে আইনি সেবা দিবে না ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলার আসামিপক্ষে আইনি সেবা না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্যরা।

শুক্রবার ২২ মে, ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ কালাম খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, "কার্যনির্বাহী কমিটি জুম মিটিং শেষে সিদ্ধান্ত নিয়েছি রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে সমিতির কোন সদস্য অংশ অংশ নিবে না।"

ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়া বলেছেন, "নিষ্পাপ শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করে অত্যন্ত ঘৃণিত ও গুরুতর অপরাধ করেছে। আমরা চাই সমাজে এইসব অপরাধের জন্য জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক সাজা হোক। এসব কারণে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি কোনো আইনজীবী আসামিপক্ষে অংশ নিবেন না।"

মঙ্গলবার ১৯ মে, দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে আট বছর বয়সী শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ বলেছে, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন।

পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে সেদিনই পল্লবী থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে পরিবারের সঙ্গে থাকত রামিসা। সে পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সোহেল ও স্বপ্না ওই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে সাবলেট থাকতেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা বাসা থেকে বের হলে আসামিরা কৌশলে তাকে ভবনের তৃতীয় তলায় তাদের রুমে নিয়ে যায়।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে আসামিদের রুমের সামনে মেয়েটির স্যান্ডেল দেখতে পায় তার মা। এরপর ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে রামিসার মা ফ্ল্যাটের অন্যদের নিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় সোহেল ও স্বপ্নার রুমে রামিসার মাথাবিহীন দেহ এবং বাথরুমের বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পায়। স্বপ্না সেখানে দাঁড়ানো ছিলেন।

জিজ্ঞাসাবাদে স্বপ্না বলেছেন, রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ করে মেরে ফেলের সোহেল। লাশ গুম করার জন্য মাথা ছুরি দিয়ে কেটে আলাদা করেন এবং দুই হাত কাঁধ থেকে অর্ধ বিচ্ছিন্ন করে মৃতদেহ বাথরুম থেকে এনে শোবার ঘরের খাটের নিচে রেখে দেন। কাটা মাথা বাথরুমের বালতির মধ্যে রেখে জানালার গ্রিল কেটে সোহেল পালিয়ে যান।

এদিকে রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সংক্ষিপ্ততম সময়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status