ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ● ২৪ অক্টোবর ২০২৬ ● ৮ কার্তিক ১৪৩৩
কে হবেন জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব, কারা আছেন আলোচনায়?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 24 October, 2026, 10:18 AM

কে হবেন জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব, কারা আছেন আলোচনায়?

কে হবেন জাতিসংঘের পরবর্তী মহাসচিব, কারা আছেন আলোচনায়?

যুদ্ধ, রাজনৈতিক অস্থিরতা, অর্থনৈতিক সংকট আর জলবায়ু পরিবর্তনের মত উদ্বেগের মধ্যে জাতিসংঘকে রেখে বিদায় নিচ্ছেন বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে তার মেয়াদ। আর ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই কূটনৈতিক সংস্থার হাল ধরবেন নতুন একজন।

কে হচ্ছেন সেই দশম মহাসচিব? নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে চলছে জোর জল্পনা।

টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, এবারের নির্বাচন বেশ কয়েকটি কারণে ঐতিহাসিক। সংস্থাটির ৮১ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো নারীর মহাসচিব হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আবার অনানুষ্ঠানিক আঞ্চলিক রীতি অনুযায়ী, এবার লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চল থেকে কাউকে বেছে নেওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

কিন্তু প্রার্থীদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বড় হয়ে উঠেছে ভূরাজনীতি। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের ‘ভিটো’ ক্ষমতার কারণে নির্বাচন প্রক্রিয়া গড়িয়েছে এক জটিল মোড়ে, যা শেষ মুহূর্তে নতুন প্রার্থীদের সামনে আসার পথ খুলে দিচ্ছে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া ও ফ্রান্সের সমর্থন ছাড়া কারও মহাসচিব হওয়ার পথ কার্যত বন্ধ।

জাতিসংঘ বলছে, এখন পর্যন্ত আটজন আনুষ্ঠানিকভাবে এই পদের জন্য প্রার্থী হয়েছেন। নিরাপত্তা পরিষদের সর্বশেষ অনানুষ্ঠানিক ভোটে তাদের মধ্যে সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন কোস্টারিকার সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা গ্রিনস্প্যান।

তবে কোনো প্রার্থীই স্থায়ী সদস্যদের আপত্তি এড়াতে পারেননি। ফলে সামনে আরো নতুন প্রার্থীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নামতে দেখা যেতে পারে।

মহাসচিব নির্বাচন কীভাবে হয়?

রয়টার্স লিখেছে, জাতিসংঘের সনদের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে সাধারণ পরিষদ মহাসচিব নিয়োগ দেয়।

অর্থাৎ, ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদ চূড়ান্ত নিয়োগ দিলেও প্রার্থী বাছাইয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা থাকে নিরাপত্তা পরিষদের হাতে।

প্রার্থী মনোনয়ন দেয় জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলো। প্রার্থীদের নিজেদের কর্মপরিকল্পনা, জীবনবৃত্তান্ত ও নির্বাচনী প্রচারের অর্থায়নসংক্রান্ত তথ্য জমা দিতে হয়।

প্রার্থীরা সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের সামনে নিজেদের পরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। এই ধাপের উদ্দেশ্য প্রার্থীদের যোগ্যতা ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া।

অনানুষ্ঠানিক ভোটে সদস্যরা একজন প্রার্থীর বিষয়ে তিন ধরনের মত দিতে পারেন। সমর্থন দেওয়া, নিরুৎসাহিত করা বা কোনো মত না দেওয়া। এ ভোটের মাধ্যমে কার কতটা সমর্থন রয়েছে, তা যাচাই করা হয়।

নির্বাচিত হতে গেলে একজন প্রার্থীকে নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্যের মধ্যে অন্তত ৯ জনের সমর্থন পেতে হয়। পাঁচ স্থায়ী সদস্যের কেউ ভিটো দিলে সেই প্রার্থীকে সুপারিশ করা যায় না। পরিষদের সুপারিশের পর সাধারণ পরিষদ নতুন মহাসচিব নির্বাচিত করে।

ফলে এ নির্বাচনে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচ সদস্যের ক্ষমতাই সবচেয়ে বড় নিয়ামক। কোনো প্রার্থী অন্য সদস্যদের কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থন পেলেও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, রাশিয়া বা ফ্রান্সের বিরোধিতায় নিয়োগ আটকে যেতে পারে।

উপরে বাঁ থেকে: রেবেকা গ্রিনস্প্যান, ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট, রাফায়েল গ্রোসি, ইভন আ-বাকি। নিচে বাঁ থেকে: মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা গারসেস, ওলার ওতুনু, ম্যাকি সাল, লানা নুসেইবেহ। ছবি: জাতিসংঘ

মহাসচিব হওয়ার দৌড়ে যারা

জাতিসংঘ প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন আটজন। তাদের অভিজ্ঞতা ও অগ্রাধিকারে পার্থক্য আছে।

রেবেকা গ্রিনস্প্যান, কোস্টারিকা

দেশটির সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট রেবেকা গ্রিনস্প্যান জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থা ইউএন ট্রেড অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের প্রধান। তার অগ্রাধিকারে রয়েছে জাতিসংঘের কার্যকারিতা বাড়ানো, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং কূটনৈতিক মধ্যস্থতা জোরদার করা।

ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট, গায়ানা

জাতিসংঘে গায়ানার স্থায়ী প্রতিনিধি ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট এর আগে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতিসংঘের মূলনীতি, মানবাধিকার ও উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি।

রাফায়েল গ্রোসি, আর্জেন্টিনা

২০১৯ সাল থেকে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার মহাপরিচালকের দায়িত্বে আছেন রাফায়েল গ্রোসি। বাস্তব ফলাফলভিত্তিক, দ্রুত সাড়া দিতে সক্ষম ও কার্যকর জাতিসংঘ গড়ে তোলার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।

ইভন আ-বাকি, একুয়েডর

ইভন আ-বাকি একুয়েডরের সাবেক রাষ্ট্রদূত। যুদ্ধ প্রতিরোধ, শান্তি প্রতিষ্ঠা, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার ও জাতিসংঘের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা গারসেস, অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার মনোনীত

মারিয়া ফার্নান্দা এসপিনোসা গারসেস একুয়েডরের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৩তম অধিবেশনের সভাপতি। শান্তি, উন্নয়ন, প্রযুক্তি ও জ্বালানি রূপান্তর এবং জাতিসংঘের বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধারের কথা রয়েছে তার পরিকল্পনায়।

ওলার ওতুনু, উগান্ডা

জাতিসংঘের সাবেক আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল এবং শিশু ও সশস্ত্র সংঘাতবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি ওলার ওতুনু জাতিসংঘের নৈতিক কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধার ও উন্নয়ন সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন।

ম্যাকি সাল, সেনেগাল

সেনেগালের সাবেক প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল আফ্রিকান ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান। জাতিসংঘকে আরও আধুনিক ও দক্ষ করা এবং নিরাপত্তা পরিষদের বাস্তবসম্মত সংস্কারের পক্ষে তিনি।

লানা নুসেইবেহ, ইউএই

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লানা নুসেইবেহ ২০১৩ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘে দেশটির রাষ্ট্রদূত ছিলেন। জাতিসংঘের কূটনৈতিক মহলেও তার পরিচিতি রয়েছে।


কে কতটা এগিয়ে?

রয়টার্স জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদের ষষ্ঠ অনানুষ্ঠানিক ভোটে তুলনামূলকভাবে বেশি সমর্থন পেয়েছেন কোস্টারিকার রেবেকা গ্রিনস্প্যান, গায়ানার ক্যারোলিন রদ্রিগেস-বিরকেট ও আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি।

এই ভোটে প্রথমবারের মতো রঙিন ব্যালট ব্যবহার করা হয়, যাতে স্থায়ী সদস্যদের কেউ কোনো প্রার্থীর বিরোধিতা করছেন কি না, তা আলাদা করে বোঝা যায়। তবে অনানুষ্ঠানিক ভোটের ফল চূড়ান্ত নির্বাচন নয়। এটি মূলত প্রার্থীদের গ্রহণযোগ্যতা যাচাইয়ের একটি ধাপ।

গ্রিনস্প্যানের পক্ষে নয়টি ভোট থাকলেও পাঁচটি আপত্তি এসেছে। এর মধ্যে দুটি স্থায়ী সদস্যের। ফলে সংখ্যার হিসাবে এগিয়ে থাকলেও তার নিয়োগ নিশ্চিত নয়। একই বাধায় আটকে আছেন অন্য শীর্ষ প্রার্থীরাও।

গত ২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ভাষণ দেওয়ার পর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দিকে আঙুল তুলে কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ বছরের শেষে মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বিদায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন গুতেরেস। ছবি: রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের ‘মর্জি’ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এ নির্বাচনের অন্যতম বড় ‘পাওয়ার প্লেয়ার’ হল যুক্তরাষ্ট্র। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে এমনিতেই দেশটির ভিটো দেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে। তার ওপর জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় অর্থদাতা হিসেবেও যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে।

জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ বলেছেন, নতুন প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়ার অধিকার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রয়েছে। তবে প্রার্থী বাছাইয়ে অঞ্চল বা লিঙ্গের চেয়ে ‘যোগ্যতাকে’ বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

অন্যদিকে, জাতিসংঘের শীর্ষ পদে আঞ্চলিক পালাবদলের অনানুষ্ঠানিক রেওয়াজ রয়েছে। সে কারণে লাতিন আমেরিকার দেশগুলো মনে করছে, এবার তাদের অঞ্চল থেকে মহাসচিব নির্বাচিত হওয়ার উচিত।

তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। ফলে আঞ্চলিক প্রত্যাশা থাকলেও স্থায়ী সদস্যদের সম্মতি ছাড়া তা বাস্তবায়ন কঠিন।

নতুন মহাসচিবের সামনে কী চ্যালেঞ্জ

যিনি নির্বাচিত হবেন, তার সামনে শুধু কূটনৈতিক অচলাবস্থা দূর করার দায়িত্ব থাকবে না, বরং আন্তর্জাতিক সংকটের মধ্যে জাতিসংঘের কার্যকারিতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনার কঠিন কাজটি তাকেই করতে হবে।

ইউক্রেইন ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থামাতে দেশগুলোকে সমঝোতায় আনতে হবে। বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যদের মতবিরোধ এক্ষেত্রে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণকে বাধাগ্রস্ত করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়ন কমে যাওয়ায় জাতিসংঘের বাজেটের ওপর চাপ বেড়েছে। ফলে প্রশাসনিক ব্যয় কমানো, অপ্রয়োজনীয় পদ ছাঁটাই এবং বিভিন্ন সংস্থার একই ধরনের কাজের পুনরাবৃত্তি বন্ধ করার চ্যালেঞ্জ থাকবে নতুন মহাসচিবের সামনে।

সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে মতবিরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আটকে যাচ্ছে। ফলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিসংঘের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। নতুন মহাসচিবকে জাতিসংঘের প্রতি আস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে।

জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিয়ে আন্তর্জাতিক সমন্বয় এবং ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতেও কাজ করতে হবে তাকে।

কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস লিখেছে, জাতিসংঘের পরবর্তী প্রধানকে একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংঘাত, অর্থসংকট, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের চাপ সামলাতে হবে।

কবে জানা যাবে নতুন মহাসচিবের নাম?

নতুন মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়ার কথা ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে। কিন্তু অক্টোবরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত নিরাপত্তা পরিষদ কোনো প্রার্থীকে নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি।

গ্রিনস্প্যান এখনো এগিয়ে থাকলেও তার জয় নিশ্চিত নয়। নতুন প্রার্থী এলে সমীকরণ বদলাতে পারে। আবার স্থায়ী সদস্যদের মধ্যে সমঝোতা হলে বর্তমান প্রার্থীদের মধ্য থেকেই কাউকে বেছে নেওয়া হতে পারে।

সব মিলিয়ে, এবারের নির্বাচন শুধু জাতিসংঘের পরবর্তী নেতৃত্ব নির্ধারণের বিষয় নয়। আন্তর্জাতিক সংঘাত, অর্থসংকট ও বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যে এ সংস্থা কতটা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে, তাও নির্ধারিত হবে এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে।


« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status