চিকিৎসাকর্মীদের জন্য আলিবাবা ফাউন্ডেশনের মেডিক্যাল সাপ্লাই ঢাকায়
করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় বাংলাদেশের জন্য চীনের আলীবাবা ফাউন্ডেশন ও জ্যাক মা ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রেরিত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রীর অনুদান আজ ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। বাংলাদেশ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে এই অনুদান হস্তান্তর করা হয় যা তারা পরবর্তীতে সারা দেশে বিতরণ করবে।
এই নিয়ে ফাউন্ডেশনটি ২৩টি এশীয় দেশে সর্বমোট ৭০ লক্ষ ৪০ হাজার মাস্ক, ৪,৮৫,০০০ পিস কোভিড-১৯ টেস্ট কিট, ১,০০,০০০ সেট প্রতিরক্ষামূলক পোশাকসহ অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে।
দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তাহিদল হক দু'টি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি হিসেবে অনুদানটি গ্রহণ করেন।
এছাড়াও এই জনহিতকর উদ্যোগের সমর্থন স্বরূপ উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল অধ্যাপক ড.মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, মোঃ শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী- এশিয়া উইং চিফ, মিনিস্ট্রি অফ ফাইন্যান্স; হেলথ সার্ভিস ডিভিশনের অ্যাডিশনাল সেক্রেটারি, মোহাম্মাদ সিরাজুল ইসলাম।
চিকিৎসাকর্মীদের জন্য আলিবাবা ফাউন্ডেশনের মেডিক্যাল সাপ্লাই ঢাকায়
“আমরা আশা করি এই অনুদানটি কোভিড -১৯ এর বিরুদ্ধে বাংলাদেশকে তাদের লড়াইয়ে সহায়তা করবে। আমরা সার্বক্ষণিক ভাবে বিশ্বের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। যেখানে চিকিৎসা সরবরাহের সর্বাধিক প্রয়োজন সেখানে তা সবসময় পৌঁছানো সহজ কাজ নয়, তবে এটি সম্পন্ন করার জন্য আমরা কঠোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি” - জ্যাক মা ফাউন্ডেশন।
এই অনুদান কোভিড -১৯ সংকটে ক্ষতিগ্রস্থ এশিয়া, উত্তর আমেরিকা, লাতিন আমেরিকা, ইউরোপ ও আফ্রিকা সহ অনান্য দেশগুলিতে বিভিন্ন ধরণের চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ করার লক্ষ্যে আলিবাবা ফাউন্ডেশন এবং জ্যাক মা ফাউন্ডেশনের একাধিক উদ্যোগ গুলোর মধ্যে একটি।
আগামী দিনগুলিতে আরও নানান উদ্যোগ এবং অনুদানের ঘোষণা দিতে পারে ফাউন্ডেশটি।
উল্লেখ্য, জ্যাক মা ফাউন্ডেশন এবং আলিবাবা ফাউন্ডেশন চীনে কোভিড-১৯ চিকিৎসায় সরাসরিভাবে প্রথম সারিতে থাকা জেজিং ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ মেডিসিনের (ফাহজু) প্রথম অ্যাফিলিয়েটেড হাসপাতালের চিকিৎসক, অন্যান্য চিকিৎসক প্রশাসক এবং কর্মীদের কাছ থেকে কিছু প্রধান উপদেশ এবং অভিজ্ঞতা বিষয়ক একটি হ্যান্ডবুক প্রকাশনায়ও সহায়তা করেছে যা করোনাভাইরাসের বিস্তার কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে।