এরই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (৫ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধন করেন বাইকচালকরা।
এ সময় বাইকচালকরা মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধের জন্য বাস মালিকদের দোষারোপ করেন।
বাইকচালকরা বলেন, বাস মালিকদের ঈদে আয় কমে যাওয়ার ভয়ে তারা ওপর মহলে চাপ প্রয়োগ করে মহাসড়কে মোটরসাইকেল বন্ধ করিয়েছেন। ঈদের আগে ও পরে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান বাইকচালকরা। এ সময় তারা, সঠিক আইন প্রয়োগের মাধ্যমে মহাসড়কে মোটরসাইকেল চলাচলে অনুমতি চান।
মানবন্ধনে বক্তারা বলেন, মহাসড়কে যানজট লেগেই থাকে। বাড়ি যাওয়ার জন্য বাস ও ট্রেনের টিকিট পাওয়া খুবই কষ্টকর। তাই যানজটের ঝামেলা এড়াতে সহজে বাড়ি ফেরার জন্য মহাসড়কে বাইক চলাচলের অনুমতি চাই।
তারা বলেন, ‘নিরাপত্তার ইস্যুতে আন্তমহাসড়কে বাইক চলাচল বন্ধ কার্যকরী সমাধান নয়। বরং মহাসড়কে আইনের প্রয়োগ করে মোটরসাইকেল চলাচলের অনুমতি দেওয়া হোক। কারণ, দেশে মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা অধিক। এ নিষেধাজ্ঞার ফলে লাখো মোটরসাইকেল ব্যবহারকারী এবারের ঈদে তাদের পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে সমস্যার সম্মুখীন হবেন।