ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ফারাহ হত্যার বিচার কবে?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Saturday, 8 April, 2023, 10:58 AM
সর্বশেষ আপডেট: Saturday, 8 April, 2023, 12:36 PM

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ফারাহ হত্যার বিচার কবে?

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ফারাহ হত্যার বিচার কবে?

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের (ইউল্যাব)’ ছাত্রী ফারাহ মাধুরী হত্যার বিচার কবে শেষ হবে? মামলায় পুলিশ গত বছর চার্জশিট দিলেও মামলাটির বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না। ফলে অনেকটাই হতাশায় কাটছে নিহতের পরিবার। ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ মাধুরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় তার বন্ধুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়।

চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন, মাধুরীর বন্ধু মর্তুজা রায়হান চৌধুরী, মোসা. নুহাত আলম তাফসীর, ফারজানা জামান নেহা, শাফায়েত জামিল, মো. রিয়াজ উদ্দিন ও নুরুল আমিন। কিন্তু মামলাটির এখনও অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়নি। আর মেয়ের মৃত্যুর পরে নিজের মোবাইল বন্ধ করে দিয়ে অনেকটাই আত্মগোপনে চলে গেছেন মাধুরীর বাবা মো. ফারুক হোসেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী ফারাহ মাধুরীর বাবা মো. ফারুক হোসেনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে। মেয়ের মৃত্যুর পরে তিনি অনেকটাই স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে চলে গেছেন ফারুক হোসেন।

২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মর্তুজা রায়হান ওই মাধুরীকে নিয়ে মিরপুর থেকে আরাফাতের বাসায় যান। সেখানে স্কুটার রেখে আরাফাত, ওই শিক্ষার্থী ও রায়হান একসঙ্গে ব্যাম্বুসুট রেস্টুরেন্টে যান। সেখানে আগে থেকেই আরেক আসামি নেহা ও একজন সহপাঠী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসামিরা ওই মাধুরীকে জোর করে ‘অধিক মাত্রায়’ মদপান করান। মদপানের একপর্যায়ে ওই ছাত্রী অসুস্থ বোধ করলে রায়হান তাকে মোহাম্মদপুরে তার এক বান্ধবীর বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলে নুহাতের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে তরুণীকে ধর্ষণ করেন রায়হান। এ সময় রায়হানের বন্ধুরাও কক্ষে ছিলেন।

ধর্ষণের পর রাতে ওই ছাত্রী অসুস্থ হয়ে বমি করলে রায়হান তার আরেক বন্ধু অসিম খানকে ফোন দেন। সেই বন্ধু পরদিন এসে তাকে প্রথমে ইবনে সিনা ও পরে আনোয়ার খান মডার্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। দুই দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর তার মৃত্যু হয়। পরে ২০২১ সালের ৩১ জানুয়ারি চারজনকে আসামি করে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেছিলেন নিহত ছাত্রীর বাবা মো. ফারুক হোসেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও একজনকে আসামি করা হয়। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাজেদুল হক।

দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপ-পরিদর্শক সাজেদুল হক মাধুরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ছয়জনের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেয়। ওই চার্জশীটে আসামি আরাফাত হোসাইন মারা যাওয়ায় তাকে মামলার দায় থেকে অব্যাহতির আবেদন করা হয়। এই মামলায় ২৭ জনকে সাক্ষী করা হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আবু ঢাকাটাইমসকে বলেন, না এই মামলাটি বর্তমানে কী অবস্থায় আছে সেটা আমি এখন বলতে পারবো না।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status