|
মানুষের শেষ ঠিকানা কবরস্থানেও দুর্নীতি ও অনিয়মের ছোঁয়া
মোঃ মামুন অর-রশীদ, ঠাকুরগাঁও
|
![]() মানুষের শেষ ঠিকানা কবরস্থানেও দুর্নীতি ও অনিয়মের ছোঁয়া শুক্রবার (২২ আগস্ট) করবস্থানের সীমানা প্রাচীর নির্মাণে অনিয়মের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। যা মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। করবস্থানের মতো জায়গাতেও অনিয়ম করায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও এলজিইডি কর্তৃপক্ষের কঠোর শাস্তি দাবিসহ বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন নেটিজেনরা। রবিবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের কাজীপাড়া এলাকায় একটি কবরস্থানে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শ্রমিক লাগিয়ে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে নির্মিত গ্রেডবিমগুলো ভাঙছেন। তবে তাদের নির্মাণের ঢালাই করা গ্রেডবিমগুলোর পোলেষ্টার হাত দিলেই খসে পড়ছে। আর পাশে দাড়িয়ে ছিলেন ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী প্রমোদ চন্দ্র রায় ও সার্ভেয়ার মোস্তাফিজুর রহমান। এ সময় সাধারণ মানুষের তোপের মুখে পড়েন এই দুই কর্মকর্তা। একপর্যায়ে তারা কাজ বন্ধ করে দেয়। জানা গেছে, স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে কাজীপাড়া এলাকায় একটি গোরস্থানের দক্ষিণ-পশ্চিম পার্শ্বে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ পান আল আকসা নামে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। কিন্তু গত বৃহস্পতিবার ঢালাই করা হয়। পরদিন ঢালাই খুলে ফেললে পলেস্তারা খসে পড়ছিল। এসময় স্থানীয় বিক্ষুদ্ধ লোকজন প্রতিবাদ জানিয়ে সেই কাজ বন্ধের পাশাপাশি পিলারসহ গ্রেডবিম গুড়িয়ে দেয়। স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, এলাকার মানুষ সচেতন বলেই অনিয়ম ধরতে পেরেছেন। মানুষ মারা গেলে কবরস্থানে মাটি দিবে সেখানেও অনিয়ম করে কাজ বাস্তবায়ন করছে ঠিকাদার। এখানে এলজিইডি কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের যোগসাজশ আছে বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন এমনটাই দাবি করেন তারা। ![]() মানুষের শেষ ঠিকানা কবরস্থানেও দুর্নীতি ও অনিয়মের ছোঁয়া এব্যাপারে উপসহকারী প্রকৌশলী প্রমোত চন্দ্র রায় জানান, এটা তদারকির অভাবে অনিয়ম হয়েছে। ঢালাইয়ে সিমেন্ট কম, বালুর পরিমাণ বেশি ছিল। কাজ করার সময় না জানিয়ে করেছে ঠিকাদার। আর সে কারণে অনিয়ম করেছেন তিনি। ঠিকাদারকে পুনরায় ভেঙে আবার নতুন করে গ্রেডবিমগুলোতে ঢালাই দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মোঃ মাবুদ পোষ্টকে বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। নিয়ম হলো ঢালাই করার দুই সপ্তাহ পর স্যাটারিং খোলা হয়। কিন্তু ঠিকাদার তা না করে মাত্র একদিন পরেই তা খুলে কাজ শুরু করে দেয়। আমরা ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি তিনি পুনরায় কাজ করে দিবেন। এ কাজে এলজিইডি কর্তৃপক্ষের অবহেলা আছে কিনা এমন প্রশ্ন করলে তিনি এড়িয়ে যান। এরআগেও এলজিইডি ও কিছু ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে রাস্তা-ব্রিজ নির্মাণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছিল। কিন্তু উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ঠিকাদারের পক্ষে নিয়েই কাজ করেছেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
ভূরুঙ্গামারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থীর বাড়িতে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ, অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি
বাগমারায় ভবানীগঞ্জ দলিল লেখক সমিতির নামে চাঁদাবাজির অভিযোগে বিক্ষোভ
বাঘাইছড়িতে দমকা হাওয়ায় গাছ পালা ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় যান চলাচল স্বাভাবিক
কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে ভাই-বোনদের বিরোধ: ধান কাটতে বাধা, থানায় অভিযোগ
