ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শুক্রবার ১৭ এপ্রিল ২০২৬ ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
‘এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে’
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Thursday, 16 April, 2026, 8:19 PM

‘এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে’

‘এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে’

‘সাদা গেঞ্জি পড়া রানা। এই সাদা গেঞ্জি পরেই ও আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে।’ কিশোর গ্যাং ‘এলেক্স গ্রুপের’ হোতা ইমন ওরফে এলেক্স ইমনকে কুপিয়ে হত্যা মামলার এক আসামিকে দেখিয়ে নিহতের মা এ কথা বলেছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলামের আদালতে দাঁড়িয়ে গ্রেপ্তার আসামি রানাকে দেখিয়ে একথা বলেন নিহত ইমনের মা ফেরদৌসী।

গত ১২ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে  বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে প্রতিপক্ষের কয়েকজন মিলে ইমনকে কুপিয়ে আহত করে। সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় পরদিন তার মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

মামলা দায়েরের পর সাঈদ হোসেন শিমুল ওরফে আইয়ুশ, তুহিন বিশ্বাস, রাব্বি কাজী, সুমন ওরফে পাখির পোলা সুমন, রানা এবং রাসেল ওরফে পিচ্ছি রাসেলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করে সাত দিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার এসআই সাধন কুমার মন্ডল। ওইদিন আসামিদের কারাগারে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার রিমান্ড শুনানির দিন রাখেন। এদিন শুনানিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এটা সারা বাংলাদেশের আলোচিত ঘটনা। এলেক্স গ্রুপের প্রধান এলেক্স ইমনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। আসামিরা সবাই এজাহারনামীয় আসামি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসামিদের রিমান্ড প্রয়োজন।

আসামিদের মধ্যে তুহিন, সাঈদ ও রাব্বির পক্ষে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম (শফিক) রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন। তিনি বলেন, আসামিদের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়নি। তারা ঘটনাস্থলে ছিল না। 

মামলার বাদী বলেছেন, তারা ঘটনাস্থলে ছিল না। বাদী আদালতে উপস্থিত আছেন। প্রয়োজনে তার কাছে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

এসময় বাদী ফেরদৌসীকে ডাকেন বিচারক। বিচারকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,'ওই তিন জন (তুহিন, সাঈদ ও রাব্বি) ঘটনারসঙ্গে জড়িত না। তারা আমার ছেলেকে বাঁচাতে গিয়েছিল। কিন্তু বাকিরা ওদেরকে আমার ছেলের কাছে যেতে দেয়নি। কাঠগড়ায় আসামি রানাকে দেখিয়ে ফেরদৌসী বলেন, ওই সাদা গেঞ্জি পরা লোকটা। এই সাদা গেঞ্জি পড়েই আমার ছেলেটাকে কুপিয়েছে। পরে আদালত এই ছয় আসামির চার দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন।

মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১২ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে এলেক্স ইমনকে বাসায় রাখা মাছ নিয়ে আসতে সংবাদ পাঠায় তার শ্বশুড়। মাছ আনতে বাইরে যায় সে। বাসা থেকে বের হয়ে আড্ডা দিয়ে বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে মোহাম্মদপুরের বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধের ঢালে পৌঁছালেই পূর্ব শত্রুতার জেরে আসামিরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাথারী কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। রক্তক্ষরণে জ্ঞান হারায় এলেক্স ইমন। আশপাশের লোকজনের খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।  

এ ঘটনায় পরদিন তার মা ফেরদৌসী মোহাম্মদপুর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের করেন।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status