|
বাইশারী-ঈদগড় সড়ক উন্নয়ন দৃশ্যমান দূর হচ্ছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি
শামীম ইকবাল চৌধুরী, নাইক্ষ্যংছড়ি
|
![]() বাইশারী-ঈদগড় সড়ক উন্নয়ন দৃশ্যমান দূর হচ্ছে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি) বান্দরবান এর অর্থায়নে ৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪ কিলোমিটার ১০০ মিটার সড়কের কার্পেটিং কাজ এবং ৩০০ মিটার আরসিসি সড়ক নির্মাণ করাটি বাস্তবায়ন করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোহাম্মদ ইউনুছ এন্ড ব্রাদার্স প্রাইভেট লিমিটেড। জানাযায়, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যেই পুরো কাজ সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলে এপ্রিল মাসে শেষ হচ্ছে সড়কের কাজ। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এ সড়কটি আগে চলাচলের অনুপযোগী থাকায় এলাকাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা আর গর্তে ভরা সড়কে যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ত। কিন্তু বর্তমানে উন্নয়ন কাজের ফলে সড়কটির চিত্র বদলে গেছে। সড়কটি নির্মাণ হওয়ার ফলে সহজে যাতায়াত, কৃষি পণ্য পরিবহনসহ যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমুল পরিবর্তন ঘটবে, পাশাপাশি কৃষি খাতে আসবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দীন ও মাষ্টার নুরুল আজিম বলেন, এই সড়কটি চালু হলে বাইশারী ও ঈদগড় এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে, কৃষিপণ্য পরিবহন বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতি আসবে। শিক্ষা ও চিকিৎসা সেবাও হবে আরও সহজলভ্য। নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম বলেন, বাইশারী-ঈদগড় সড়কটি এলাকার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক। “আগে এই রাস্তায় চলাচল করতে অনেক কষ্ট হতো, বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ ছিল বেশি। তিনি আরো বলেন, আমরা প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করছি। নির্মাণ কাজে গুণগত মান বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কাজ সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণের চলাচল আরও সহজ ও নিরাপদ হবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।” এ বিষয়ে বান্দরবান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগ (এলজিইডি’র) নির্বাহী প্রকৌশলী প্রতিপদ দেওয়ান বলেন, পাহাড়ে অনেক বাঁধা-বিপত্তিসহ চেলেঞ্জিংভাবে কাজ করতে হয়। তারপরও আমরা পাহাড়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী-ঈদগড় এই সড়কটি স্থানীয় জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তা। তাই আমরা অতি গুরুত্বের সাথে কাজ করছি, যাতে করে কাজের গুনগনমান ঠিক রেখে নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারি। কাজ শেষ হলে এলাকার মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমও বাড়বে বলে মনে করেন এলজিইডির এই কর্মকর্তা। এলজিইডির এমন উন্নয়নমূলক উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন এনে দিচ্ছে এবং টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিচ্ছে বান্দরবানকে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
