ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 31 August, 2026, 12:47 PM

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে

নেপালে বন্যায় মৃতের সংখ্যা ৮০০ ছাড়িয়েছে

নেপাল-চীন সীমান্তবর্তী এলাকায় হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যার তাণ্ডবে প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ২৬ আগস্টের ওই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে সোমবার (৩১ আগস্ট) পর্যন্ত নেপাল ও চীনের তিব্বত অঞ্চলে অন্তত ৮০০ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া এখনও নিখোঁজ রয়েছেন তিন হাজারের বেশি মানুষ।

দুর্যোগের আকস্মিকতায় দিশেহারা ভুক্তভোগীদের উদ্ধার ও ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টার মধ্যেই আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে উঠে এসেছে আগাম সতর্ক বার্তার ব্যর্থতার প্রশ্ন। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, দুর্যোগ আঘাত হানার আগে স্থানীয় বাসিন্দারা সুরক্ষা নিতে পাঁচ মিনিটেরও সময় পাননি। ফলে নেপালের সঙ্গে চীনের দুর্যোগসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয়ের ঘাটতি নিয়ে অভিযোগের আঙুল তুলছেন কাঠমান্ডুর কর্মকর্তারা।

নেপালি প্রশাসনের দাবি, সীমান্তঘেঁষা হিমবাহ ও আবহাওয়ার অস্বাভাবিক গতিবিধি নিয়ে চীন থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিক সময়ে মেলেনি। রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেপালের বন্যা পূর্বাভাস বিভাগের জলসম্পদবিদ সৌহার্দ্র যোশি জানান, সীমান্ত অঞ্চলের হিমবাহগুলোর অস্বাভাবিক রূপান্তরের তথ্য আগাম জানার চাহিদা থাকলেও প্রত্যাশিত সাড়া পাওয়া যায়নি।

নেপালের জাতীয় দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী ধরম রাজ উপ্রেতি ব্লুমবার্গকে বলেন, উচ্চ পার্বত্য এলাকায় নিজস্ব আবহাওয়া স্টেশন না থাকায় সীমান্তপারের তথ্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। প্রয়োজনীয় সংযোগ ও তথ্য বিনিময়ের অভাবে অন্তত পাঁচ মিনিট আগেও মানুষকে সতর্ক করা সম্ভব হয়নি।

অবশ্য নেপালি কর্তৃপক্ষের এ জাতীয় অভিযোগ সরাসরি খণ্ডন করেছে চীন। তেহরান ও কাঠমান্ডুস্থ চীনা দূতাবাস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দাবি করে, বিদ্যমান নানা প্রযুক্তিগত ও প্রাকৃতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মে মাসের দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর থেকে সব তথ্য সময়মতো নেপালকে জানানো হয়েছে।

বন্যার বিশালতা বিবেচনা করে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ইতিমধ্যে তিব্বত মালভূমিজুড়ে সব হিমবাহ ও হিমবাহ-হ্রদের ভৌগোলিক জরিপ দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ জারি করেছেন। ভবিষ্যতের ঝুঁকি কমাতে কমিউনিস্ট পার্টি থেকেও আগাম সতর্কীকরণ জোরদারের কথা বলা হয়েছে।

২৬ আগস্ট পাহাড়ে হিমবাহ ধসে বরফ, কাদা ও পাথরের বিশাল স্রোত উপত্যকার বসতিগুলোকে লণ্ডভণ্ড করে দিলে এই ট্র্যাজেডির সৃষ্টি হয়। যোগাযোগবিচ্ছিন্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এখনও নিখোঁজদের সন্ধানে অভিযান চলছে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।



পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status