|
পাইকগাছায় ১৫১ টি পূজামন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা
শেখ সেকেন্দার আলী,পাইকগাছা
|
![]() পাইকগাছায় ১৫১ টি পূজামন্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা উপজেলার বিভিন্ন পূজামপে সকাল হতে গভীর রাত পর্যন্ত মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরি করেছেন ভাস্কর শিল্পীরা। মহালয়া, বোধন, নবপত্রিকা, কুমারী পূজা, সন্ধিপূজা ও প্রতিমা বিসর্জন দিয়ে শেষ হবে দুর্গাপূজা। এবছর উপজেলায় ১৫১ টি পুজা মন্দির বা মণ্ডবে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি চলছে। সরেজমিনে পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবীদুর্গার প্রতিমা। ভাস্কার বা কারিগররা প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন। নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় তৈরি হচ্ছে দেবীদুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, অসুরসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা। প্রকৃতিতে শরতের শুভ্রতার সঙ্গে আসছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দুর্গা আদ্যাশক্তি, মহামায়া, শিবানী, ভবানী, দশভুজা, সিংহবাহনা ইত্যাদি নামে অভিহিত হন। দুর্গ বা দুর্গম নামক দৈত্যকে বধ করেন বলে তাঁর নাম হয় দুর্গা। জীবের দুর্গতি নাশ করেন বলেও তাঁকে দুর্গা বলা হয়। ব্রহ্মার বরে পুরুষের অবধ্য মহিষাসুর নামে এক দানব স্বর্গরাজ্য দখল করলে রাজ্যহারা দেবতারা বিষ্ণুর শরণাপন্ন হন। বিষ্ণুর নির্দেশে সকল দেবতার তেজঃপুঞ্জ থেকে যে দেবীর জন্ম হয় তিনিই দুর্গা। দেবতাদের শক্তিতে শক্তিময়ী এবং বিভিন্ন অস্ত্রে সজ্জিতা হয়ে এ দেবী যুদ্ধে মহিষাসুরকে বধ করেন। তাই দেবীর এক নাম হয় মহিষমর্দিনী। শিশির ভেজা ভোর আর শরতের কাশফুল জানান দিচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আগমনী বার্তা। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এ উৎসব ঘিরে পাইকগাছায় প্রতিমা তৈরিতে কারিগরেরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। মৃৎশিল্পীদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় প্রতিমাগুলে হয়ে উঠছে অপরূপ। এখন খড় আর কাদা মাটি দিয়ে প্রতিমা তৈরির শেষে রং তুলিতে সাজানো হচ্ছে প্রতিমা। একই সঙ্গে শরতের দুর্গোৎসবকে পরিপূর্ণভাবে সাজাতে মন্দিরগুলোতে চলছে প্রস্তুতি। পাইকগাছা উপজেলা বাংলাদেশ পুজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি সন্তোষ কুমার সরকার জানান, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও ১ টি পৌরসভায় মোট ১৫১টি মন্দিরে সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। জানা গেছে, পাইকগাছা পৌরসভায় ৬ টি, হরিঢালী ইউনিয়নে ১৭ টি, কপিলমুনি ইউনিয়নে ১৮ টি, লতা ইউনিয়নে ১২ টি, দেলুটি ইউনিয়নে ১৩টি, সোলাদানা ইউনিয়নে ১২ টি, লস্কর ইউনিয়নে ১৯ টি, গদাইপুর ইউনিয়নে ৭ টি, রাডুলী ইউনিয়নে ২০ টি, চাঁদখালী ইউনিয়নে ১৫ টি ও গড়ইখালী ইউনিয়নে ১২ টি সর্বমোট ১৫১ টি মন্দিরে দুর্গা উৎসব উদযাপিত হবে। এ বিষয় থানা ওসি শেখ আউয়াল কবির বলেন, দুর্গোৎসব সুষ্ঠ, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
