ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
প্রস্তুতি এমন যে একটি প্রাণহানিও ঘটবে না: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Friday, 3 May, 2019, 4:53 PM

ডা. এনামুর রহমান, ফাইল ছবি।

ডা. এনামুর রহমান, ফাইল ছবি।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের যে প্রস্তুতি তাতে একটি প্রাণহানিরও আশঙ্কা নাই। অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ১৯টি জেলায় ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত আছে। এসব এলাকায় ঝুঁকিতে থাকা ২২ থেকে ২৫ লাখ লোককে আজ বিকাল ৫টার মধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে ঝড়ের বাতাসের গতিবেগ যদি ২০০ কিলোমিটারের বেশি হয় তাহলে খুলনা অঞ্চলের ১১ হাজার হেক্টর জমির ফসল রক্ষা করা সম্ভব হবে না।’

আজ শুক্রবার (৩ মে) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক,  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব নজিবুর রহমান, দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, তথ্য সচিব আবদুল মালেক, আবহাওয়া অধিদফতরের সচিব সামসুদ্দিন আহমেদ।

সভায় জানানো হয়, এই মুহূর্তে ঝড়টি ওড়িশায় আঘাত হেনেছে। ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার বেগে এবং ঘণ্টায় ২৭ কিলোমিটার গতিতে ঝড়টি অগ্রসর হচ্ছিলো। এটি অপেক্ষাকৃত দুর্বল হয়ে উত্তরপশ্চিম দিক থেকে খুলনা-সাতক্ষীরা অঞ্চলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শক্তি কিছুটা কমেছে। বাংলাদেশে যখন আসবে তখন এর গতি ৯০ থেকে ১৪০ কিলোমিটার হতে পারে। অগ্রসর হওয়ার গতি হবে ১৭ কিলোমিটার। ফলে সন্ধ্যায় শুরু হয়ে সারা রাতব্যাপী ঝড়বৃষ্টি চলবে। স্বাভাবিকের চেয়ে ৫ থেকে ৬ ফুট জলোচ্ছাস হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জানান, ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’ মোকাবেলায় ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির (সিপিপি) ৫৬ হাজার কর্মী, নৌবাহিনী, পুলিশ, কোস্টগার্ড, আনসার, ফায়ারসার্ভিস, রেড ক্রিসেন্ট, স্কাউট, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে। তারা জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্র নেওয়ার কাজ যুক্ত রয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় শুক্রবার সকাল ১০টায় শুরু হয়ে বেলা ১২টা পর্যন্ত ৪ লাখ ৪ হাজার ২২৫ জনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। বিকাল ৫টা মধ্যে সবাইকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘জনগণকে আশ্রয়কেন্দ্র নেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে–প্রতিবন্ধী, গর্ভবতী মা ও শিশুদের। প্রতিবন্ধীদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্রে আলাদা কক্ষ রাখা হচ্ছে। ডিসিদের কাছে বাড়তি ১০ লাখ টাকা ও খাবার বরাদ্দ দেওয়া আছে। ২০০ টন করে জিআর চাল দেওয়া আছে। শুকনো খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়েছে ৪৫ হাজার। একটা প্যাকেটে একটি পরিবারের পাঁচ জন সদস্যের উপযোগী খাবার দেওয়া আছে।’

তিনি জানান, আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে আলো দেওয়া হচ্ছে। যেখানে সৌর প্যানেল নাই, সেখানে হ্যাজাক লাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  

সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আবার সংবাদ সম্মেলন করবেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী।  

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব নজিবর রহমান জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে। যুক্তরাজ্যে অস্থানরত প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, ফণী দু্র্বল হোক আর সবল হোক, এটাকে যেন খাটো করে দেখা না হয়। একটি প্রাণহানিও যাতে না ঘটে সেইভাবে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে বলা হয়েছে। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ভূমিধসের আশঙ্কা থাকতে পারে। প্রস্তুতিতে এটাও যেন মাথায় থাকে সে ব্যাপারে তাগিদ দেওয়া হয়েছে।’

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status