|
ভারতের বিচারব্যবস্থা ও আইন কিনতে পারে অপরাধীরা
নতুন সময় ডেস্ক
|
|
ভারতের বিচারব্যবস্থা ও আইন কিনতে পারে অপরাধীরা অত্যন্ত কড়া ভাষায় পুলিশের নিন্দা করে তার অভিযোগ, নানার সঙ্গে গোপন আঁতাত করেছে মুম্বইয়ের ওশিয়ারা পুলিশ। তিনি বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আদালতকে দেওয়া রিপোর্টে মিথ্যে বলেছে মুম্বই পুলিশ। ২০০৮ সালেও ওরা আমার এফআইআর নিতে চায়নি। অভিযুক্তকে সুরক্ষা দিতে আমার অভিযোগকে ঘুরিয়ে দিয়েছিল…এটা সম্পূর্ণ দুর্নীতি। কীভাবে ওরা আমার দিকে অভিযোগ ঘুরিয়ে দিয়ে অভিযুক্তের পক্ষে চলে গেল? এই রিপোর্ট দেওয়ার জন্য আর আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনার জন্য নানা ও তার লোকেরা পুলিশকে কত টাকা দিয়েছেন? যে ম্যাজিস্ট্রেট এই রিপোর্ট গ্রহণ করেছেন, তাঁদের কাছে আমার প্রশ্ন, এই রিপোর্ট মেনে নেওয়ার জন্য আপনি কত টাকা খেয়েছেন? ক্লিন চিট পেয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে কত টাকা দিয়েছেন নানা পাটেকর?’ তনুশ্রী আরও লিখেছেন, ‘এই হেনস্থার ঘটনা আমার কাজ, কেরিয়ার, জীবন সব কেড়ে নিয়েছে। আমাকে নতুন একটা দেশে জীবন শুরু করতে হয়েছে। কারণ ভারতে বিচারব্যবস্থা ও আইন বিক্রি হয় আর ক্লিনচিট পেয়ে তা কিনতে পারে অপরাধীরা। মোদীজি…দুর্নীতিমুক্ত ভারতের কী হল?…এটাই আপনার রামরাজ্য? হিন্দু পরিবারে জন্ম নিয়ে জেনেছিলাম, রাম নাম সত্য হ্যায়। তাহলে এই দেশে কীভাবে অসত্য আর অধর্মই বারবার জিতে যাচ্ছে? আমাকে জবাব দিন…’ ২০০৮ সালে ‘হর্ন ওকে প্লিজ’ ছবির সেটে তার সঙ্গে নানা পাটেকর আপত্তিকর ব্যবহার করেছিলেন বলে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন তনুশ্রী দত্ত। তার এই অভিযোগের পরই ভারতে জেগে ওঠে হ্যাশট্যাগ মুভমেন্ট। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
