সামরিক ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই চীন-ভারত, শীর্ষ দশে নেই পাকিস্তান
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Wednesday, 29 April, 2020, 11:15 PM
সামরিক ব্যয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই চীন-ভারত, শীর্ষ দশে নেই পাকিস্তান
সুইডেনের ‘স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইন্সটিটিউট’ বা সিপ্রি ২০১৯ সালে সামরিক খাতে বিভিন্ন দেশের খরচের তথ্য প্রকাশ করেছে৷ প্রথমবারের মতো শীর্ষ তিনে এশিয়ার দুই পরাশক্তি চীন ও ভারত। তবে সেরা দশেও নেই পাকিস্তান। বিশ্বে সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের পরই আছে চীন আর ভারত।
২০১৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ৫.৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৩২ বিলিয়ন ডলার। এটি পুরো বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৩৮ শতাংশ। খরচ বাড়ার কিছু কারণের মধ্যে আছে পুরনো অস্ত্র ও পারমাণবিক বোমার সংগ্রহশালার আধুনিকীকরণ এবং প্রায় ১৬ হাজার নতুন সামরিক সদস্য নিয়োগ। এছাড়া চীনের জন্যও যুক্তরাষ্ট্র ব্যয় বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছে চীন। ২০১৯ সালে তাদের ব্যয় ৫.১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ২৬১ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কে উত্তেজনা থাকায় ২০১৯ সালে ভারত সামরিক খাতে ৭১.১ বিলিয়ন ডলার খরচ করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ২০১৮ সালে ভারতের ব্যয় ছিল ৬৬.৫ বিলিয়ন ডলার।
চতুর্থ অবস্থানে থাকা রাশিয়া ২০১৯ সালে রাশিয়ার সামরিক ব্যয় সাড়ে চার শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৬৫.১ বিলিয়ন ডলার, যা দেশটির জিডিপির ৩.৯ শতাংশ। আগের তালিকায় তিন নম্বরে ছিল সৌদি আরব। ২০১৯ সালে ১৬ শতাংশ ব্যয় কমিয়ে এখন দেশটির অবস্থান পঞ্চম। গতবছর দেশটি ৬১.৯ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে৷ ইয়েমেনে সামরিক অভিযান ও ইরানের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে সৌদি আরবের সামরিক ব্যয় কমানোতে বিস্মিত হয়েছেন বিশ্লেষকরা।
এছাড়া ফ্রান্স তালিকার ৬ষ্ঠ অবস্থানে, জার্মানি ৭ম ও যুক্তরাজ্য ৮ম অবস্থানে রয়েছে। শীর্ষ দশ তালিকার শেষ দুই দেশও এশিয়ার। নবম অবস্থানে রয়েছে জাপান ও ১০ নম্বর অবস্থানে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
২০১৯ সালে সামরিক খাতে বৈশ্বিক খরচ ছিল ১৯১৭ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে ৬২ শতাংশই করেছে শীর্ষ পাঁচটি দেশ। ২০১৯ সালে ২০১৮ সালের তুলনায় সামরিক ব্যয় বেড়েছে ৩.৬ শতাংশ। এটি ২০১০ সালের পর কোনো এক বছরে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধির হার।