ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ২৮ জুন ২০২৬ ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
ভাসানচরে মিলবে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Monday, 7 December, 2020, 6:38 PM

ভাসানচরে মিলবে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ

ভাসানচরে মিলবে আধুনিক শিক্ষার সুযোগ

বিভিন্ন ধরনের অমানবিক নির্যাতনের কারণে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন রোহিঙ্গারা। পরে শরণার্থী হিসেবে তাদের আশ্রয় দেয়া হয় কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন স্থানে। সেখানে এক ঘরেই পরিবারের অনেক সদস্যকে গাদাগাদি করে থাকতে হতো তাদের। ছিল না মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থাও।

রোহিঙ্গাদের কষ্ট লাঘবে একটি মহৎ উদ্যোগ নেয় সরকার। নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের জন্য নোয়াখালীর ভাসানচরে করা হয় উন্নতমানের সব ব্যবস্থা। যার মধ্যে মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা অন্যতম। এতে অশিক্ষিত রোহিঙ্গারা পাবেন আলোকিত মানুষ হওয়ার পাথেয়। ভাসানচরে প্রায় ১ লাখ রোহিঙ্গাদের জন্য ১৮টি অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ তৈরি করা হয়েছে নজরকাড়া এক নগরী। করা হয়েছে দুটি বিদ্যালয়।

রোহিঙ্গাদের শিক্ষা নিয়ে কাজ করছে মাল্টি সার্ভ ইন্টারন্যাশনাল (এমএসআই)। সংস্থাটির নির্বাহী প্রধান মো. জুবায়ের বলেন, কক্সবাজার আর ভাসানচরে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। থাকা থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিদ্যুৎসহ সব মৌলিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।

কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। ছোট একটি ত্রিপলের নিচে ক্লাস নেয়া হয়। পরিবেশগত কারণেও সেখানে যথাযথ শিক্ষা দেয়া সম্ভব নয়। কিন্তু ভাসানচরে যেভাবে স্কুলগুলো করা হয়েছে, তা গ্রামে তো দূরে থাক, অনেক শহরেও নেই।

ভাসানচরে রোহিঙ্গা ছেলে-মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ানো হবে। তবে এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের সিলেবাস প্রযোজ্য হবে। একই সঙ্গে ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগও রাখা হয়েছে। কক্সবাজারে মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ নেই তবে ভাসানচরে আছে।

প্রকল্পটিতে ব্যয় হয়েছে তিন হাজার ১০০ কোটি টাকা। এ মেগা প্রকল্পটি নির্মাণ, বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা করছে নৌবাহিনী। প্রশাসনিক বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় নজরদারি করছে। এটি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই সার্বক্ষণিক নির্দেশনা দিয়েছেন।

কক্সবাজারের ক্যাম্পে তিন বছর, ভাসানচরে মাত্র একদিনের সুখ খুঁজে পাচ্ছেন রোহিঙ্গারা। কক্সবাজার ক্যাম্প থেকে আসা ভাসানচরের কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা হয় এ প্রতিবেদকের। তারা বলছেন, এখানে আমরা অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছি। মনে হচ্ছে যেন আমরা উন্নত কোনো নগরীতে এসেছি। বিশেষ করে আমাদের ছেলে-মেয়েকে একটি মানসম্মত শিক্ষা দিতে পারবো। পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষাও।

সম্পাদনায়: খালেদ সুজন


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status