লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে পৃথক স্থান থেকে ফারিয়া বেগম ও রূপালি খাতুন নামে দুই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে ঐ উপজেলার উত্তর দলগ্রাম ও উত্তর মুশরত মদাতী এলাকা থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ফারিয়া বেগম একই উপজেলার দক্ষিণ দলগ্রামের জাহেদ আলীর মেয়ে ও উত্তর দলগ্রামের সুজন মিয়ার স্ত্রী।
জানা গেছে, শনিবার সকালে উত্তর দলগ্রামে স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ির নির্যাতনের শিকার হয়ে ফারিয়া বেগম নামে ঐ গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। ঐ ঘটনায় লাশ রেখে পালিয়ে গেছে তার স্বামী সুজন মিয়া, শ্বশুর শাহাজাহান আলী, শাশুড়ি আরেফা বেগম। পরে খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে।
ফারিয়ার পরিবারের দাবি, যৌতুকের কারণে তাদের মেয়েকে হত্যা করেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন।
এদিকে একই উপজেলার উত্তর মুশরত মদাতী এলাকায় একটি সুপারি বাগান থেকে গৃহবধূ রূপালি খাতুনের অগ্নিদগ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ঐ এলাকার রফিকুল ইসলামের মেয়ে। নিহত রূপালি তালাকপ্রাপ্ত হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন।
রূপালির মা আঞ্জু আরা বলেন, রাতে আমি ও মেয়ে নামাজ পড়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। রূপালি কখন ঘুম থেকে উঠে বাগানবাড়িতে গেছে বলতে পারি না। সকালে ঘরে না পেয়ে খুঁজতে গিয়ে সুপারি বাগানে দগ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখি।
কালীগঞ্জ থানার ওসি) গোলাম রসূল দুটি ঘটনারি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।