|
সৌদিতে বাস দুর্ঘটনা, নিহত ১৩ বাংলাদেশি হজ যাত্রীর পরিচয় জানা গেল
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() সৌদিতে বাস দুর্ঘটনা, নিহত ১৩ বাংলাদেশি হজ যাত্রীর পরিচয় জানা গেল নিহত ১৩ বাংলাদেশি হলেন- নোয়াখালীর সেনবাগের মো. শরিয়ত উল্লাহর ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লার মুরাদনগরের আব্দুল আওয়ালের ছেলে মামুন মিয়া, নোয়াখালীর মোহাম্মদ হেলাল, লক্ষ্মীপুরের সবুজ হোসাইন, কুমিল্লার মুরাদনগরের রাসেল মোল্লা, কক্সবাজারের মহেশখালীর মো. আসিফ, গাজীপুরের টঙ্গীর আব্দুল লতিফের ছেলে মো. ইমাম হোসাইন রনি, চাঁদপুরের কালু মিয়ার ছেলে রুক মিয়া, কক্সবাজারের মহেশখালীর সিফাত উল্লাহ, কুমিল্লার দেবীদ্বারের গিয়াস হামিদ, যশোরের কাওসার মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ নাজমুল, যশোর ইস্কান্দারের ছেলে রনি ও কক্সবাজারের মোহাম্মদ হোসেন। সহায়তার জন্য সৌদিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে হতাহতদের পরিবারকে +966553026814 ও +966538643532 নম্বর দুটিতে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার বিকেলে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী আসির প্রদেশের আকাবা শার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন আল আখবারিয়া জানিয়েছে, বাসের আরোহীরা ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাচ্ছিলেন। ব্রেক কাজ না করায় একটি সেতুর সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে উল্টে গিয়ে বাসটিতে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সৌদি আরবের জেদ্দায় বাংলাদেশের কনস্যুলেটের প্রথম সচিব (শ্রম) মো. আরিফুজ্জামানসহ দুজন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে যান। আরিফুজ্জামান বলেন, বাসে ৪৭ জন যাত্রী ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৩৫ জন ছিলেন বাংলাদেশি। দুর্ঘটনায় ২২ যাত্রী নিহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে আটজন বাংলাদেশি বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সুদানের একজন, মিসরের একজন ও ইয়েমেনের একজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকিদের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এতে নিহত বাংলাদেশির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কনস্যুলেট কর্মকর্তারা। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর দুই যুবক মোহাম্মদ শেফায়েত উল্লাহ (২২) ও মোহাম্মদ আসিফ (২৪) সম্পর্কে তাঁরা খালাতো ভাই। তাঁরা সৌদি আরবে একটি আবাসিক হোটেলে চাকরি করতেন। সৌদি দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে, এ দুর্ঘটনায় আহত ১৮ জন বাংলাদেশি সৌদি আরবের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁদের মধ্যে একজনকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
