রুমা ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ
অংবাচিং মারমা, রুমা
প্রকাশ: Tuesday, 6 January, 2026, 1:59 PM
রুমা ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ
মাননীয় মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর দিকনির্দেশনায় রুমা ব্যাটালিয়ন (৯ বিজিবি)-এর ব্যবস্থাপনায় বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় শীতার্ত ও অসহায় মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (০৬ জানুয়ারি) সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত রুমা সাঙ্গু সরকারি কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে এ শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় রুমা উপজেলার বিভিন্ন দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার শীতার্ত মানুষের মাঝে মোট-২শত-৫০টি কম্বল বিতরণ করা হয়।
কম্বল বিতরণ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত এলাকাগুলোর মধ্যে ছিল— চান্দা হেডম্যান পাড়া,পাইন্দু হেডম্যান পাড়া, সায়াগ্র পাড়া, ছাইপো পাড়া,জাবালুল কুরআন মাদ্রাসা ও এতিমখানা এবং সদরঘাট এলাকা।
রুমা ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হাসান শাহরিয়ার, পদাতিক, অধিনায়ক, রুমা ব্যাটালিয়ন (৯ বিজিবি)।
এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত উপ-অধিনায়ক মেজর তিমির রঞ্জন মহান্ত, এএমসি এবং ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার সহকারী পরিচালক মোঃ জসিম উদ্দিন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রুমা ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ শুধু সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই নয়, বরং দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিয়মিতভাবে মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো বিজিবির মানবিক দায়িত্ব ও সামাজিক দায়বদ্ধতারই অংশ।
তারা আরও বলেন, শীত মৌসুমে পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষের কষ্ট তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। এ ধরনের সহায়তা তাদের জীবনযাত্রা সহজ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
উল্লেখ্য, এর আগেও রুমা ব্যাটালিয়ন (৯ বিজিবি) গরিব ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ, ত্রাণ কার্যক্রম, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদানসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে বিজিবি কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।