|
জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() জাঁকজমকপূর্ণ কুচকাওয়াজে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন এ সময় অভিবাদন মঞ্চ থেকে সালাম গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে মনমুগ্ধকর কুচআওয়াজ, সমরাস্ত্র প্রদর্শনী এবং বিমান বাহিনীর ফ্লাইপাস্ট বা অ্যারোমেটিক শো উপভোগ করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুচকাওয়াজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। মিলিটারি পুলিশের (এমপি) সুসজ্জিত মোটর শোভাযাত্রাসহ ১০টার দিকে প্যারেড গ্রাউন্ডে আসেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ -জামান, নৌ বাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব ইসরাত চৌধুরী। এর আগে ৯টা ৫৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্যারেড মাঠে পৌঁছালে তাকেও স্বাগত জানান মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা। অনুষ্ঠানস্থলে দেখা যায়, জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক মো. সাহাবুদ্দিনকে সম্মান জানিয়ে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। খোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি তার সঙ্গী হিসেবে জিপে থাকেন প্যারেড অধিনায়ক মেজর জেনারেল এসএম আসাদুল হক। পরে অভিবাদন মঞ্চে ফিরে রাষ্ট্রপ্রধান স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজের সালাম গ্রহণ করেন। এ সময় একে একে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর চৌকোস সদস্যদের প্যারেড কুচকাওয়াজ প্রদর্শন হতে থাকে। এর পরে সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতার নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন মাত্রার ক্ষেপণাস্ত্র (মিসাইল), টর্পেডো, ড্রোন, অত্যাধুনিক রাডারসহ নানা সমরাস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতসহ দেশি-বিদেশি অতিথিরা। ২০০৮ সালের পর অর্থাৎ ১৮ বছর পরে এবার ২৬ মার্চের আনুষ্ঠানিকতায় যুক্ত হলো এই বর্ণিল আয়োজন ও প্রদর্শনী। অন্যদিকে চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে কুচকাওয়াজ বা প্যারেড প্রদর্শনী বন্ধ ছিল। এমনকি মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলনসহ এই জাতীয় বিষয়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবহেলা-অবজ্ঞা দেখেন সাধারণ মানুষ। যদিও ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে এ আয়োজনটি মোটামুটি স্বাভাবিক ছিল। তবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীনতা বা মুক্তিযুদ্ধের বিষয়গুলোকে যথাযত সম্মান ও গুরুত্ব দেওয়া শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার এবার স্বাধীনতা দিবসে জাঁকজমকভাবে এ আয়োজন করতে নির্দেশনা দিলে রমজান মাসের শুরু থেকে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুশীলন প্রস্তুতি শুরু হয়, যা আজ মহান স্বাধীনতা দিবসে চূড়ান্ত প্রদর্শনীর মাধ্যমে শেষ হলো |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
