|
শ্রীবরদীতে এক ৯ বছর বয়সী শিশুকে ঝালকাঠি থেকে নিয়ে এসে আটক
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() শ্রীবরদীতে এক ৯ বছর বয়সী শিশুকে ঝালকাঠি থেকে নিয়ে এসে আটক আটক ব্যক্তি আঃ রাজ্জাক (পিতা: লাল মিয়া হাওলাদার, মাতা: হুনুফা বেগম) ঝালুকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার উত্তর চেচরি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের বেঙ্গালুরুতে ময়লা পরিষ্কারের কাজ করেন বলে জানা গেছে এবং অবৈধভাবে যাতায়াতের অভিযোগ রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশু লামিয়া (৯), মৃত কামরুল মিয়ার মেয়ে এবং পাখি বেগমের সন্তান। সে ঝালুকাঠি জেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। জানা গেছে, লামিয়ার মা পাখি বেগম তার প্রথম স্বামীর মৃত্যুর পর অন্য আরেক জনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে তিনিও ভারতের বেঙ্গালুরুতে বসবাস করেন। তার স্বামী ও আঃ রাজ্জাকের সঙ্গে ময়লা পরিষ্কারের কাজ করেন এবং বর্তমানে বেঙ্গালুরুতেই অবস্থান করছেন। শিশু লামিয়ার নিকট জানা যায় যে, তার অনিচ্ছা থাকা স্বত্বেও তাকে জোড় করে গত ২৩ এপ্রিল সকাল ৭টার দিকে লামিয়ার ফুফাতো ভাই লিটন মিয়া তাকে কিছু কাপড়চোপড়সহ আঃ রাজ্জাকের কাছে তুলে দেন, যাতে সে শিশুটিকে তার মায়ের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। তবে বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় এলাকাবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে রাত আনুমানিক ১২টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার বড়ইকুচি বাজার এলাকায় শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে অবস্থানকালে স্থানীয় রোকন মিয়া (পিতা: মোজাম্মেল হক, মাতা: উরফুলি বেগম) ও এলাকাবাসী মিলে আঃ রাজ্জাককে আটক করেন। পরে তাকে রোকন মিয়ার বাড়িতে রাখা হয় এবং বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা শুরু হয়। এ ঘটনায় মানবপাচারের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে শিশুটির পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, তাকে মায়ের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশ্যেই নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। তারা বলেন, শিশুটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
