|
দেশে প্রথম ‘গভীর অনুসন্ধান কূপ’ খনন শুরু, দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() দেশে প্রথম ‘গভীর অনুসন্ধান কূপ’ খনন শুরু, দিনে মিলবে ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল) পরিচালিত তিতাস গ্যাস ফিল্ডের উৎপাদনে থাকা ২২টি কূপ থেকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩২৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস উত্তোলনের ফলে দেশের সবচেয়ে প্রাচীন এই গ্যাস ফিল্ডের সব কূপেই মজুত ও চাপ কমেছে। এতে উৎপাদনও কমে গেছে। এ অবস্থায় গ্যাসের নতুন উৎস খুঁজতে থ্রিডি সাইসমিক জরিপ প্রকল্প নেয় বিজিএফসিএল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিতাস ও বাখরাবাদ ফিল্ডে খনন করা হচ্ছে দুটি গভীর অনুসন্ধান কূপ। ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতায় তিতাসের নতুন কূপটি খননে সময় লাগবে প্রায় ৭ মাস। খননকাজ করছে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি।খনন শেষে কূপটি থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হবে। বিজিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক জানান, তিতাসসহ বিজিএফসিএল পরিচালিত অন্যান্য ফিল্ডগুলো থেকে গ্যাসের উৎপাদন বাড়াতে নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপের ওয়ার্কওভার প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিতাস ও বাখরাবাদ ফিল্ডে দুটি গভীর অনুসন্ধান কূপ সফলভাবে খনন করা গেলে তা জ্বালানি খাতের জন্য মাইলফলক হবে এবং জ্বালানি সংকট অনেকটাই কেটে যাবে। পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) একেএম মিজানুর রহমান বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে চলতি বছরের মধ্যে ৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশীয় জ্বালানির উৎস অনুসন্ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ অবস্থায় তিতাসের এই গভীর অনুসন্ধান কূপ খননের উদ্দেশ্য সফল হলে জ্বালানি সংকট অনেকটাই কমে আসবে। খননকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক, কোম্পানি সচিব মোজাহার আলী, প্রকল্প পরিচালক মো. মাহমুদুল নবাব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
