|
বাদীকে সাজানো মামলায় কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ
নাঙ্গলকোটে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নারীসহ আহত ৮
ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া, নাঙ্গলকোট
|
![]() নাঙ্গলকোটে জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: নারীসহ আহত ৮ আহতরা হলেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী নাছিমা বেগম, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগম, প্রতিবন্ধী কন্যা রাবেয়া আক্তার,পুত্র আবু বকর সিদ্দিক, সেলিম হোসেনের কন্যা ফাতেমা আক্তার,নুর আলমের কন্যা নুর জাহান,আলমগীর হোসেনের কন্যা ফারজানা আক্তার ও সুমি বেগম। অভিযুক্ত ঐ গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র হাছান, চাঁন মিয়া,আবুল বাশার,আব্দুস সালাম, বাদশা মিয়া,আরাফাত হোসেন, ফারজানা বেগম ও স্বপ্না বেগম-সহ ১৮/২০ জনে হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে এবং উল্টো থানায় সাজানো মামলা করে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে,তাদের জায়গা দখল করে নেয়। অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগীদের থেকে জানা যায়, উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাইল পশ্চিম পাড়ার জাহাঙ্গীর আলমের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করতে প্রতিবেশী হাছান গংরা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। তার পিতা মৃত সিরাজ মিয়া জীবিত থাকাকালে ৫৯০ নং খতিয়ানভুক্ত ১৭২১ দাগে ২৫ শতক এবং পাশের ১৭২২ দাগে ৮ শতক জমি ক্রয় করে বসতবাড়ি ও পুকুরসহ ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতার মৃত্যুর পর তিনি ও তার ওয়ারিশরা ওই সম্পত্তির মালিক হন। কিন্তু প্রতিবেশী হাছান গংরা পরিকল্পিতভাবে তাদের জমির তিন দিক থেকে কিছু অংশ দখল করে নেয়। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, পরিমাপ শেষে নির্ধারিত সীমানা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হাছান গংরা খুঁটি উপড়ে ফেলে পুনরায় দখলের চেষ্টা চালায়। ঘটনার দিন সকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাছান গংরা জাহাঙ্গীর আলমসহ তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী নাছিমা বেগমসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত ৮ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে নাছিমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর হাসান পরিকল্পিতভাবে উল্টো জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, বিষয়টি আগে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত হাছান বলেন গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। আমি আমার জায়গা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছি। হামলার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা কোন হামলা করিনি, উল্টো তারা আমাদের উপর হামলা করেছে। আমরা থানায় মামলা করেছি একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে আমরা মামলা নিয়েছি এবং ব্যবস্থা নিচ্ছি। তাদের এজাহার দিলে সেটা আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।ছবির ক্যাপশন:- লম্বা চুল ব্যক্তি অভিযুক্ত হাসান। ত্বোহা হাসান ভূঁইয়া, নাঙ্গলকোট কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় জমি দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়ন উরুকচাইল পশ্চিম পাড়া সিরাজ ড্রাইভারের বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী নাছিমা বেগম, আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী নাজমা বেগম, প্রতিবন্ধী কন্যা রাবেয়া আক্তার,পুত্র আবু বকর সিদ্দিক, সেলিম হোসেনের কন্যা ফাতেমা আক্তার,নুর আলমের কন্যা নুর জাহান,আলমগীর হোসেনের কন্যা ফারজানা আক্তার ও সুমি বেগম। অভিযুক্ত ঐ গ্রামের সিরাজ মিয়ার পুত্র হাছান, চাঁন মিয়া,আবুল বাশার,আব্দুস সালাম, বাদশা মিয়া,আরাফাত হোসেন, ফারজানা বেগম ও স্বপ্না বেগম-সহ ১৮/২০ জনে হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে এবং উল্টো থানায় সাজানো মামলা করে ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে,তাদের জায়গা দখল করে নেয়। অভিযোগ সূত্র ও ভুক্তভোগীদের থেকে জানা যায়, উপজেলার হেসাখাল ইউনিয়নের উরুকচাইল পশ্চিম পাড়ার জাহাঙ্গীর আলমের পৈতৃক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করতে প্রতিবেশী হাছান গংরা দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছিলেন। তার পিতা মৃত সিরাজ মিয়া জীবিত থাকাকালে ৫৯০ নং খতিয়ানভুক্ত ১৭২১ দাগে ২৫ শতক এবং পাশের ১৭২২ দাগে ৮ শতক জমি ক্রয় করে বসতবাড়ি ও পুকুরসহ ভোগদখল করে আসছিলেন। পিতার মৃত্যুর পর তিনি ও তার ওয়ারিশরা ওই সম্পত্তির মালিক হন। কিন্তু প্রতিবেশী হাছান গংরা পরিকল্পিতভাবে তাদের জমির তিন দিক থেকে কিছু অংশ দখল করে নেয়। এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশের উদ্যোগ নেওয়া হলে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, পরিমাপ শেষে নির্ধারিত সীমানা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়ে হাছান গংরা খুঁটি উপড়ে ফেলে পুনরায় দখলের চেষ্টা চালায়। ঘটনার দিন সকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাছান গংরা জাহাঙ্গীর আলমসহ তার পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী নাছিমা বেগমসহ নারী-পুরুষ মিলিয়ে অন্তত ৮ জন আহত হন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে নাছিমা বেগমের অবস্থার অবনতি হলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ঘটনার পর হাসান পরিকল্পিতভাবে উল্টো জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে তাকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, বিষয়টি আগে সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার নাঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্ত হাছান বলেন গ্রাম্য সালিশের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। আমি আমার জায়গা সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করছি। হামলার বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা কোন হামলা করিনি, উল্টো তারা আমাদের উপর হামলা করেছে। আমরা থানায় মামলা করেছি একজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বলেন এজাহার প্রাপ্তি সাপেক্ষে আমরা মামলা নিয়েছি এবং ব্যবস্থা নিচ্ছি। তাদের এজাহার দিলে সেটা আমরা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।ছবির ক্যাপশন:- লম্বা চুল ব্যক্তি অভিযুক্ত হাসান। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
