|
মেহেদী হত্যা মামলায় হল সুপারসহ গ্রেফতার ২: অপসারিত হলেন অধ্যক্ষ
রায়হানুর রহমান
|
![]() মেহেদী হত্যা মামলায় হল সুপারসহ গ্রেফতার ২: অপসারিত হলেন অধ্যক্ষ রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন ফরিদ আহম্মদ ভূঁইয়া একাডেমি স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও আবাসিক হল সুপার মো. শরীফুল ইসলাম (৪৮) এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. সাজিদুল ইসলাম মজুমদার প্রকাশ মাহি (১৯)। ওসি ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরী জানান, রামগঞ্জ থানার মামলা নং-১৩/১০৪ (তারিখ ১৮ জুন), দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪/১০৯ ধারায় দায়ের হওয়া এই হত্যা মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে যথাযথ পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। ওসি ফিরোজ উদ্দিন চৌধুরী জানান, গত ১৬ জুন সন্ধ্যার আগে একাডেমির আবাসিক হলের একটি কক্ষ থেকে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মৃতের স্বজন ও স্থানীয়রা সেদিন গভীর রাত পর্যন্ত একাডেমির সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে এবং উত্তেজিত জনতা একাডেমির মেইন গেট, অভ্যর্থনা কক্ষ ও অধ্যক্ষের গাড়ি ভাঙচুর করে। ঘটনার দুই দিন পর (১৮ জুন) মেহেদীর পিতা জিয়াউদ্দিন সন্তানকে হত্যা করা হয়েছে দাবি করে অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নানকে ৪ নম্বর আসামি এবং দ্বাদশ শ্রেণির ৭ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ৯/১০ জনকে আসামি করে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, যা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। মামলা দায়েরের পরও বেশ কয়েক দিন কোনো আসামি গ্রেপ্তার না হওয়ায় ছাত্র-জনতা একাধিক মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে এবং প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে। অবশেষে ঘটনার ছয় দিনের মাথায় প্রথম দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
