ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
রোববার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: স্বামীর প্রাণদণ্ড
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Sunday, 13 September, 2026, 3:33 PM

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: স্বামীর প্রাণদণ্ড

যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যা: স্বামীর প্রাণদণ্ড

দশ বছর আগে ঢাকার কেরানীগঞ্জে যৌতুকের জন্য স্ত্রীকে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে দুলাল হোসেন ওরফে দুলু নামের এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।

ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ এর বিচারক মুন্সী মো. মশিয়ার রহমান রোববার (১৩ ১৭ সেপ্টেম্বর) এ রায় দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. এরশাদ আলম (জর্জ) বলেন, মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

“আসামির স্থাবর/অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থদণ্ডের টাকা আদায় করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে দেওয়ার জন্য ঢাকার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

তবে অপরাধে সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত না হওয়ায় এ মামলার বাকি চার আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

তারা হলেন–দুলালে ভাই হারুন, ভাবী মোরশেনা, বোন সুমাইয়া এবং বোন জামাই রাজু।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০১ সালে দুলালের সঙ্গে বিয়ে হয় শারমিনের। তাদের একটি কন্যা সন্তান হয়।

অভিযোগে বলা হয়, দুলাল বিয়ের পর থেকেই দুই লাখ টাকা যৌতুকের দাবিতে শারমিনকে মারধর করতেন। ২০১৬ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল সাড়ে ৯টার দিকেও তাকে মারধর করা হয়। এক পর্যায়ে তার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয়।

শারমিনের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে মিটফোর্ড হাসপাতালে, পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজে হাসপাতালের ভর্তি করা হয়।

খবর পেয়ে শারমিনের মা মোসা. মোমেলা হাসপাতালে গিয়ে মেয়েকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখতে পান। তার শরীরের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে জানতে পারেন। ৩০ সেপ্টেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শারমিন।

ওই ঘটনায় কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন মোমেলা। সেখানে দুলালের মা জরিনাসহ ছয়জনকে আসামি করা হয়।

২০১৭ সালের ৩১ জানুয়ারি মামলার তদন্ত শেষে ৬ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার এসআই এ কে এম সাইদুজ্জামান।

এরপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয় ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

মামলার বিচার চলাকালে ৯ জনের সাক্ষ্য শোনে আদালত। দুলুর মা জরিনা বেগম বিচার চলার মধ্যেই মারা যান।

আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রোববার এক আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দিল আদালত।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status