ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ আশ্বিন ১৪৩৩
ডাকাতির মামলায় ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কার্দাশিয়ান
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 17 September, 2026, 2:11 PM

ডাকাতির মামলায় ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কার্দাশিয়ান

ডাকাতির মামলায় ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ পেলেন কার্দাশিয়ান

ফ্রান্সের প্যারিসে ২০১৬ সালে বন্দুকধারীদের হাতে ডাকাতির শিকার হয়েছিলেন আমেরিকার জনপ্রিয় তারকা কিম কার্দাশিয়ান। সেই মামলার রায়ে তাকে প্রতীকী হিসেবে মাত্র ১ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্যারিসের একটি আদালত। 

এতে অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই। কিম নিজে ঠিক যতটুকু ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন, আদালত তাকে ঠিক ততটুকুই দিয়েছেন।

গত বছর আদালত এই ডাকাতির ঘটনায় জড়িত আটজনকে দোষী সাব্যস্ত করেন। সেসময় কিম এই ঘটনাকে জীবনের ‘সবচেয়ে ভয়াবহ অভিজ্ঞতা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন। রায় পাওয়ার পর কিম কার্দাশিয়ান ও ঘটনার সময় তার সঙ্গে থাকা স্টাইলিস্ট সিমোন হারুচে ফরাসি বিচারব্যবস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। 

যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেছেন, ‘এই ঘটনার ট্রমা আজও আমাদের মনে রয়ে গেছে। আজকের এই রায় টাকার অঙ্কের জন্য নয়, বরং এটি অপরাধের স্বীকৃতি এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার বিষয়। আদালত এবং যারা আমাদের পাশে ছিলেন, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আমরা এখন এই খারাপ সময় পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে চাই।’ 

যে হোটেলে (হোটেল ডি পুরতালেস) এই ঘটনা ঘটেছিল, সেখানকার একজন সাবেক রিসেপশনিস্টকে আদালত ১,০৯,৫১৬ ইউরো ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। ২০১৬ সালের ফ্যাশন উইকের সময় কিমের ৬ মিলিয়ন ডলার মূল্যের গয়না চুরির ঘটনায় তিনি মারাত্মকভাবে ভয় পেয়েছিলেন এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে জানা যায়। কিমের আইনজীবী এই রায়কে একটি বড় জয় হিসেবে দেখছেন। 

এ ছাড়া, স্টাইলিস্ট সিমোন হারুচে তার চাওয়া অনুযায়ী ১ ইউরো এবং হোটেল কর্তৃপক্ষ ৫০,০০০ ইউরো ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে। 

যা ঘটেছিল সেদিন 

২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে পুলিশের রূপ ধরে দুই ডাকাত কিম কার্দাশিয়ানের রুমে ঢুকে পড়ে। এরপর তাকে টেপ ও জিপ টাই দিয়ে বেঁধে তারা প্রায় ৬০ লাখ ডলারেরও বেশি মূল্যের গহনা ও হীরা লুট করে নিয়ে যায়। 

এই ডাকাত দল ফ্রান্সে ‘লে পাপিস ব্রাক্যুর’ বা ‘দাদাদের ডাকাতি দল’ নামে পরিচিতি পায়। কারণ, বিচারের আওতায় আসা ছয়জনের বয়সই ছিল ৬০ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে। তবে আগে থেকেই হাজতবাস করায় দোষীদের কাউকেই আর নতুন করে জেলে যেতে হয়নি এবং তারা রায়ের বিরুদ্ধে আপিলও করেননি। 

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status