|
শিক্ষা খাতে গুগলসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চাইলেন ববি হাজ্জাজ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() শিক্ষা খাতে গুগলসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা চাইলেন ববি হাজ্জাজ বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে গুগলসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও সংযুক্তির সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে কীভাবে শিক্ষার্থীদের শেখার ফলাফল উন্নত করা যায় এবং শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসনের সক্ষমতা বাড়ানো যায়, সে বিষয়ে মতবিনিময় করেন তাঁরা। বৈঠকে শিক্ষায় এডুকেশন টেকনোলজি এর কার্যকর ব্যবহার, প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির আরও কার্যকর সংযুক্তি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের শেখার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করা সম্ভব। বিশেষ করে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক বিভিন্ন শিক্ষা-উপকরণের কার্যকর ব্যবহার শিক্ষার্থীদের ভাষা ও অন্যান্য মৌলিক দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এছাড়া প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমতাভিত্তিক ও সহজপ্রাপ্য শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। কোনো শিশু যেন শারীরিক বা অন্য কোনো প্রতিবন্ধকতার কারণে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়,এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে এডটেক ও ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের ইংরেজি দক্ষতা বৃদ্ধি, গুগলসহ আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষা খাতের সংযোগ এবং প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা নিশ্চিত করতে জোরালো সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ইউনিসেফ। বৈঠকে পিয়া রেবেলো ব্রিট্টো এসব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উদ্যোগের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় কারিগরি সহায়তা ও আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার আশ্বাস দেন। প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে প্রতিটি শিশুর জন্য মানসম্মত, সমতাভিত্তিক ও ভবিষ্যতমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউনিসেফ বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও তিনি জানান। পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সাইডলাইনে ইউএন প্লাজার ইউনিসেফ হাউজে আয়োজিত ‘ স্কিলস্ ফর ব্রাইটার ফিউচারস্ : ইনভেস্টিং ইন হিউম্যান ক্যাপিটাল ফর ইয়ূথ অন দা মুভ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। বৈঠকে তরুণদের পরিবর্তনশীল কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে দক্ষতা উন্নয়ন, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণে বিনিয়োগ, মানবসম্পদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের জন্য ভবিষ্যতমুখী সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন,তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নই একটি দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রাথমিক শিক্ষা থেকেই প্রতিটি শিশুকে জ্ঞান, দক্ষতা ও ভবিষ্যৎ কর্মজগতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে। আমরা এ লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চাই।
|
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
