ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ● ৮ অক্টোবর ২০২৬ ● ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩
‘আমি কোথায়? আপনি কে?’ দুই দফা মৃত্যুদণ্ডের পর জ্ঞান ফিরে যা বললেন ক্রিস্টা
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 8 October, 2026, 11:37 AM

‘আমি কোথায়? আপনি কে?’ দুই দফা মৃত্যুদণ্ডের পর জ্ঞান ফিরে যা বললেন ক্রিস্টা

‘আমি কোথায়? আপনি কে?’ দুই দফা মৃত্যুদণ্ডের পর জ্ঞান ফিরে যা বললেন ক্রিস্টা

দুই দফা প্রাণঘাতী ইনজেকশন দেওয়ার পরও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়নি। কয়েক দিন অচেতন থাকার পর হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে ক্রিস্টা পাইক প্রথমেই জানতে চাইলেন, ‘আমি কোথায়?’ এরপর তাঁর প্রশ্ন, ‘আপনি কে?’ আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, জ্ঞান ফেরার পর ৫০ বছর বয়সী এই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন রাগান্বিত ও বিভ্রান্ত।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসিতে প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে পাইকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা করা হয়। দুবার পেন্টোবারবিটাল প্রয়োগের পরও তাঁর মৃত্যু না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার সময় কয়েক দিন অচেতন ছিলেন তিনি।

পাইকের আইনজীবী র‍্যান্ডি স্পাইভি জানান, কয়েক দিন ধরে তাঁদের ধারণা ছিল পাইক মস্তিষ্কের দিক থেকে মৃত এবং যেকোনো সময় তাঁকে কৃত্রিম জীবনধারণ ব্যবস্থা থেকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। তবে মঙ্গলবার সবার বিস্ময়ের মধ্যে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। যদিও মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রচেষ্টার বিষয়ে তাঁর স্মৃতি সীমিত।

স্পাইভির ভাষ্য, মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সময় পাইক নিজেই তাঁর হাতে শিরা খুঁজে বের করতে কর্মকর্তাদের সহযোগিতা করেন এবং ইনজেকশন দেওয়ার সময় শান্ত ছিলেন। পরে জ্ঞান ফিরে তিনি গলায় নল ও অপরিচিত মানুষ দেখতে পান। বর্তমানে তাঁর দুই হাত ফুলে গেছে, এক হাতে রক্ত জমাট বেঁধেছে, নিউমোনিয়া হয়েছে এবং খাবার গিলতেও পারছেন না।

আইনজীবীরা বলছেন, প্রাণঘাতী ইনজেকশনের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের চেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়ার ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে নজিরবিহীন।

এদিকে বুধবার আদালত ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব প্রমাণ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। এর মধ্যে ইনজেকশন দেওয়ার নল, সিরিঞ্জ, ওষুধের প্যাকেট, নির্দেশনাপত্র ও লেবেলসহ ব্যবহৃত সামগ্রী রয়েছে। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে, চলাকালীন ও পরে পাইকের মানসিক অবস্থার নথিও সংরক্ষণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাইকের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে তাঁর হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে এবং আইনজীবীদের সঙ্গে যোগাযোগেও নানা বাধা তৈরি হয়েছে। তাঁরা পাইককে ফোন ব্যবহারের সুযোগ এবং হাসপাতাল থেকে অন্য কোথাও সরানোর অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে তাঁদের জানানোর আবেদন করেছেন।

১৯৯৫ সালে ১৮ বছর বয়সে তৎকালীন প্রেমিক টাডারিল শিপের সঙ্গে ১৯ বছর বয়সী কলিন স্লেমারকে হত্যা করেন পাইক। হত্যার দায়ে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। শিপের বয়স তখন ১৭ বছর হওয়ায় তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়নি; তিনি এখনো কারাগারে রয়েছেন।

এদিকে ব্যর্থ মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর টেনেসির গভর্নর বিল লি চলতি বছরের বাকি সময়ের জন্য অঙ্গরাজ্যে সব মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছেন। কেন এই ব্যর্থতা ঘটল, তার ব্যাখ্যাও চেয়েছেন তিনি।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status