|
নওয়াপাড়া প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
নওয়াপাড়া প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
|
|
নওয়াপাড়া প্রধান শিক্ষকের দুর্নীতির বিচার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নওয়াপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং জমিদাতা পরিবারের ওপর নির্যাতনের বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মকবুল হোসেনের পরিবার ও এলাকাবাসী। আজ শনিবার (২৪ অক্টোবর, ২০২৬) সকালে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জমিদাতার ছেলে মো. হারুন খান ও মেয়ে মনিরা পারভীন। সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ৮৪ শতাংশ জমি দান করা সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠাতা মরহুম মকবুল হোসেনের নাম দাতা ও প্রতিষ্ঠাতার তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। জমি দানের সময় সন্তানদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি দেওয়ার রেজুলেশন থাকলেও তা ভঙ্গ করা হয়েছে; এক সন্তানকে খণ্ডকালীন শিক্ষক পদ থেকে মাত্র এক মাসের মাথায় বাদ দেওয়া হয় এবং চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী এক ছেলের বেতন দু'মাস ধরে বন্ধ রাখা হয়েছে। এমনকি নিজেদের জমিতে ঘর তোলার অধিকার দাবি করায় জমিদাতার ছেলে হারুন খানকে মিথ্যা অজুহাতে থানায় আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বক্তারা আরও জানান, বহিস্কৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দবিরউদ্দীন বিগত ১০-১২ বছর ধরে অর্থ আত্মসাৎ ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছেন এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদারও এসব অনিয়মে যুক্ত থেকে বিদ্যালয়টির ঐতিহ্য নষ্ট করেছেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে ৩টি মূল দাবি উত্থাপন করা হয়: ১. বহিস্কৃত ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দবিরউদ্দীনের ১০-১২ বছরের দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ বিচার। ২. সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুর রউফ তালুকদারের সব অনিয়মের তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। ৩. দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের প্রাপ্য অধিকার পুনর্বহাল করা। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে মরহুম মকবুল হোসেনের স্ত্রী মোছা. হাজেরা বেগম, ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন খানসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি, অভিভাবক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত থেকে সংহতি প্রকাশ করেন। |
| « পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ » |
