ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২ জুলাই ২০২৬ ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি আবমাননাকারী লাকসামের মোশারফ মুশু গোয়েন্দা নজরদারীতে
নতুন সময় প্রতিবেদক
প্রকাশ: Saturday, 28 December, 2019, 3:23 PM
সর্বশেষ আপডেট: Saturday, 28 December, 2019, 3:36 PM

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি আবমাননাকারী লাকসামের মোশারফ মুশু গোয়েন্দা নজরদারীতে

বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবি আবমাননাকারী লাকসামের মোশারফ মুশু গোয়েন্দা নজরদারীতে

বঙ্গবন্ধুর ছবি অবমাননা ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি বিকৃতির দৃষ্টতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি অবমাননা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি সুপার ইম্পোজ করার দৃষ্টতা ও গর্হিত অপরাধ সংঘটন করেছে কুমিল্লা জেলার লাকসাম পৌরসভার বাতাখালী গ্রামের বাসিন্দা মৃত আব্দুল লতিফ খলিফার পুত্র, বাহরাইন প্রবাসী মোঃ মোশারফ হোসেন মুশু। গত ১২ডিসেম্বও ২০১৯ সন্ধ্যা ৮.৪৩ মিনিটে নিজের ফেসবুক একাউন্ট প্রোফাইল ও টাইমলাইনে জুতার ওপর বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ছবি স্থাপনের মত গর্হিত কাজ করে।

শুধু তাই নয় দোকানের ক্যাশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বসানো হয়েছে ছবি সুপার ইম্পোজ করে। মোশারফ হোসেন মশুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ানো অবস্থায় দেখা যায়। যাতে এই ছবি দেখে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা কিংকর্তব্য বিমুড় হয়ে পড়ে। অনেকের মনে কৌতুহল জাগে মোশারফ মশু কবে, কখন, কোথায় প্রধানন্ত্রী শেখ হাসিনার এই সান্নিধ্য লাভ করলেন ? তার ফেইজবুক একাউন্ট পর্যালোচনা করলে ছবিটি সুপার ইম্পোজের সুনিদিষ্ট তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়। সেই সাথে মোশারফ হোসেন মশুর প্রতারনা ও ব্লাক মেইলিংয়ের মুখোশ উম্মোচিত হয়। যা জনমনে তথা বঙ্গবন্ধু আর্দশের প্রেমিকদের মাঝে দারুণ ক্ষোভ, ধিক্কার সঞ্চার হয়। উল্লেখ্য মোশারফ হোসেন মশু এক সময়ে জামাত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল, পরবর্তীতে যুবলীগের সাথে সম্পৃক্ত হয়। বর্তমানে বাহারাইন চাকুরীরত। তার বড় ভাই বেলায়েত লাকসাম পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি। গত পৌরসভা নির্বাচনে বিএনপি’র প্রার্থী হিসেবে পাঞ্জাবী মার্কায় কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন। তখন মোশারফ বিএনপি’র কর্মী হিসেবে তার বড় ভাইয়ের নির্বাচনী প্রচারনা ও কর্মকান্ড সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

উল্লেখ্য, বিষয়টি ধামাচাপা দিতে নতুন করে ফন্দি আটে মোশারফ। গত ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯ রাত্র ৯.১৭, মোশারফ হোসেন মুশু জুতার দোকানের দাঁড়ানো ছবিটি পোস্ট করে বলেন, এটি ১এপ্রিল তোলা। যা কাটপিস করে ও তার আইডি হ্যাক করে কে বা কারা ফেসবুকে ছাড়িয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে এপ্রিল থেকে ডিসেম্বর ১২ তারিখের পূর্বে এ ছবিটি মোশারফের তার আইডিতে পোষ্ট করেননি। তাহলে এ ছবি অন্য কারো হাতে না যাওয়াই কথা। ১২ ডিসেম্বর রাত ৮.৪৩ মিনিটে মোশারফ তার নিজ ফেসবুক প্রোফাইলে ও টাইমলাইনে নতুন ছবি পোষ্ট করে। যাতে এই ছবিটিতে জুতার সাথে বঙ্গবন্ধু, শেখ হাসিনা ও জয়ের ছবি সুপার ইম্পোজের গর্হিত অপরাধ করা হয়। ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬.৫৫ মিনিট পর্যন্ত ৮ দিন প্রোফাইলে ছবিটি সংরক্ষিত ছিলো। ২৩ ডিসেম্বর সবুজপত্র অনলাইনে ও ২৪ তারিখ দৈনিক নতুন সময় অনলাইনে সংবাদটি প্রকাশ হলে ২৫ ডিসেম্বর রাত্রে টাইম লাইন থেকে বিতর্কিত ছবিটি সরিয়ে ফেলা হয়। একই সাথে তৎক্ষণাত সুপার ইম্পোজ ছাড়া নুতন আরেকটি ছবি পোস্ট করে মোশারফ বলে তার আইডি হ্যাক হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে ১৩ দিন মশু কি ঘুমিয়ে ছিলেন? একবারের জন্য কি কাউকে আইডি হ্যাক হয়েছে বলে জানিয়েছেন? তাহলে প্রশ্ন জাগে ১২ থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত তার প্রোফাইলে কোন ছবিটি ছিলো?

মূলত: এ সম্পর্কিত সংবাদ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হলে টনক নড়ে মুশুর। নড়েচড়ে বসে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা। কারন, বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা ও জয়ের ছবি অবমাননা বলে কথা। মুশুর আইডি হ্যাক ও ছবি কার্টপিস সম্বলিত ও মিথা ও ভূয়া তথ্য সম্বলিত স্ট্যাটাসে যারা লাইক ও কমেন্ট করে সমবেদনা জানিয়েছেন তারা প্রায় সকলেই ১২ই ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ হাসিনা ও জয়ের ছবি অবমানাকরা ছবিটিতে লাইক ও কমেন্ট করেছে। এক্ষেত্রে তারাও অভিযুক্ত। উল্লেখ্য, মোশারফ মশু তার প্রোফাইল ও টাইমলাইন থেকে বিতর্কিত ছবিটি সরিয়ে ফেললে ও এ সম্পর্কিত টজখ নাম্বার, স্কিনসর্ট সহ আইসিটি বিষয়ক প্রয়োজনীয় সকল আইনানুগ তথ্য সংরক্ষিত আছে। এখন সে নিজেকে নির্দোষ বা ধোয়াতুলসী পাতা প্রমানের যতোই চেষ্টা করুক না কেন আইনের মারপ্যাচে আটকা পড়ে এখন সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল ও গোয়েন্দা নজরদারীতে রয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status