একেই বলে জনপ্রিয়তার লোভ! ভাইরাল হওয়ার জন্য মানুষ এখন কত কিছুই না করেন। কেউ কেউ অনেক সময় খ্যাতির লোভে জীবনের ঝুঁকিও নিয়ে ফেলেন। তার বিনিময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ে জনপ্রিয়তা। ক্যালিফোর্নিয়ার টিকটকার লার্জও তার ব্যতিক্রম নন। তিনিও নানা কাণ্ডকারখানা করে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন বেশ। তবে এবার শুধু জনপ্রিয়তা নয় টিকটক ভিডিও তৈরি করতে গিয়ে অজান্তে শরীরে বাসা বাঁধার সুযোগ করে দিলেন ভয়ঙ্কর করোনাভাইরাসকে।
করোনা আতঙ্কে কাঁপছে গোটা বিশ্ব। কিন্তু মডেল ও টিকটকার আভা লাউজিকে সে ভয় কাবু করতে পারেনি। বরং বিপদের সময়েও একের পর এক টিকটক ভিডিও তৈরি করছিলেন তিনি। ফলে জনপ্রিয়তার গ্রাফও ঊর্ধ্বমুখীই ছিল তার।
যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামির মডেল আভা সম্প্রতি টিকটকে 'করোনা চ্যালেঞ্জ' নেন। জিভ দিয়ে কমোড চেটে এই চ্যালেঞ্জের সূত্রপাত করেন তিনি। যদিও বেশিরভাগ নেটিজেনই তার এই কাজের সমালোচনা করেন। আভার মতোই চ্যালেঞ্জ নেন বছর একুশের টিকটক স্টার লার্জ। তিনিও চাটেন কমোড। ওই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। মেলে ব্যাপক জনপ্রিয়তা। এরপর ধীরে ধীরে বাসের হাতল, নার্সিংহোমের বিছানা চাটার চ্যালেঞ্জ নেন। সেই ভিডিওতেও লাইক, কমেন্টের বন্যা বইতে থাকে।
এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। কিন্তু সম্প্রতি জ্বর, সর্দি, কাশিতে ভুগতে থাকেন লার্জ। করোনা হয়েছে বলে সন্দেহ হয় তার পরিবারের। ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। তার শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। তাতেই দেখা গেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত লার্জ। আপাতত হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ক্যালিফোর্নিয়ার ওই টিকটকার।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাসের হাতল, কমোড, হাসপাতালের বিছানা চাটার মাধ্যমে তার শরীরে এই মারণ ভাইরাস বাসা বাঁধতে পারে। জনপ্রিয়তার লোভে এ কাজ না করলেই ভাল হত বলেই দাবি এখন ওই টিকটকারের।