একজন নারীর বিশেষাঙ্গের কিছু শিরা একেবারেই কাজ করছিল না। ফলে প্রেমিকের সঙ্গে বিশেষ মুহূর্ত আনন্দদায়ক না হয়ে চরম কষ্টকর হয়ে উঠতো। তবে অস্ত্রোপচারের পর এখন বিশেষ সময়ে আর ব্যথা পাচ্ছেন না ওই নারী।
ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের উত্তরাঞ্চলে বসবাসরত ৩৪ বছর বয়সী ভিক্টোরিয়া জেনকিন্স চার বছর ধরে প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে ব্যথা থেকে রক্ষা পেতে ওষুধ খেতেন।
চার বছর আগেও এ সমস্যার ফলে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলেন। তারও চার বছর আগে থেকে সম্পর্ক রয়েছে ৩২ বছর বয়সী জ্যাক মরগনের সঙ্গে। শুরুতে সমস্যা হলে প্রেমিক কিছুটা ছাড় দিলেও পরের দিকে এসে ওই নারী নিজের থেকেই ব্যথানাশক ট্যাবলেট গ্রহণ করেন।
বিষয়টির স্থায়ী সমাধানের পথ খুঁজতে থাকেন ভিক্টোরিয়া। একপর্যায়ে লন্ডনের হোয়াইটলে ক্লিনিকে যান। সেখানে চিকিৎসা নেওয়ার পর আর বিশেষ মুহূর্তে ব্যথা পাননি ভিক্টোরিয়া।
ভিক্টোরিয়া বলেন, অস্ত্রোপচারের পর ব্যথা যেমন চলে গেছে, আমার জীবনটাই বদলে গেছে। ব্যথার কারণে ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে জীবন পার করছিলাম। চার বছর ধরে ব্যাপক কষ্ট করেছি। অথচ চিকিৎসা নেওয়ার মাত্র দুই সপ্তাহ পর অনেকটাই ঠিক হয়ে যাই। পরে তিন মাস লেগেছে সম্পূর্ণ সেরে উঠতে।
তিনি আরো বলেন, ঋতুকালীন পরিস্থিতি তো খারাপ; তার চেয়ে ভয়াবহ ছিল প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর মুহূর্ত। শুরুতে ব্যথানাশক খেয়ে কিছুটা স্বস্তি পেলেও দিনে দিনে মানসিকভাবে শেষ হয়ে যাচ্ছিলাম। সে কারণে প্রেমিকের সঙ্গে বিশেষ মুহূর্তে যাওয়ার কথা ভাবতেই পারতাম না। ফলে আমাদের সম্পর্কটা কেমন যেন হয়ে গিয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, তবে এই সমস্যার কথা প্রেমিকের কাছে খুলে বলিনি। সম্পর্ক যদি খারাপ হয়ে যায়, সেই শঙ্কায় নিজে কষ্ট সহ্য করে হলেও প্রেমিকের ইচ্ছা পূরণ করতাম। একপর্যায়ে তার কাছে সব খুলে বলি। শুণে তো সে হতবাক। এরপর এক মাস আমাকে আর বিরক্ত করেনি। এখন সেও খুশি।