ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
শনিবার ২৭ জুন ২০২৬ ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
বিমান ভ্রমণে বিশ্বের শীর্ষ চার সংযোগ শহরই চীনের, পতন লন্ডনের
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Thursday, 26 November, 2020, 2:48 PM

বিমান ভ্রমণে বিশ্বের শীর্ষ চার সংযোগ শহরই চীনের, পতন লন্ডনের

বিমান ভ্রমণে বিশ্বের শীর্ষ চার সংযোগ শহরই চীনের, পতন লন্ডনের

করোনার ধাক্কায় যখন সবকিছু ওলটপালট তখন আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ক্ষেত্রেও সংযোগ শহরের তালিকায় এসেছে বেশ উত্থান-পতন। এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে বিমানবন্দর ব্যবহার বা বিমানের সংযোগ ফ্লাইট ধরার জন্য লন্ডনকে সিংহাসনচ্যুত করে শীর্ষে উঠে এসেছে বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম ব্যবসায়িক শহর চীনের সাংহাই।

বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ সংযোগ শহরের তালিকায় রয়েছে যথাক্রমে সাংহাই, বেইজিং, গুয়াংজু ও চেংদু।

আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংগঠন- আইএটিএ'র তথ্য মতে, করোনাকালে সংযোগ ফ্লাইট ধরা বা বিমান ভ্রমণের ক্ষেত্রে লন্ডনের ব্যবহার কমেছে ৬৭ শতাংশ। ঠিক একই সময়ে সাংহাইয়ের ব্যবহার বেড়েছে। শুধু সাংহাইয়ের উত্থান ঘটেছে ব্যাপারটা এটুকুতেই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে বিশ্বের শীর্ষ চার সংযোগকারী শহরই চীনের।

আইএটিএ'র মুখপাত্র সিবাস্টিয়ান মিকজ জানান, আসলে এভাবেই বলা যায় যে, করোনাভাইরাস এই শতকের অগ্রগতিকেই থামিয়ে দিয়েছে। বৈশ্বিক সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে গত মাসে শহরগুলোর বেশ ওঠানামা হয়েছে। লন্ডন, নিউইয়র্ক, টোকিওর মতো বড় বড় ট্রান্সপোর্ট হাবগুলো করোনার আঘাতে মারাত্মকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে এবং এসব শহরের বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা অনেক কমেছে।

সিবাস্টিয়ান বলেন, আসলে এখানে কেউ জিতেনি। কিন্তু বড় বড় বিমানবন্দর বিশাল ক্ষতির মুখে পড়েছে। মানুষজনকে এক জায়গায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে আসলে একটা বড় ফারাক তৈরি হয়ে গেছে।

মহামারিকালে চীনের অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট ওঠানামা সহজেই ধাক্কা কাটিয়ে স্বাভাবিক অবস্থানে চলে এসেছে। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে চীনের গোল্ডেন উইক হলি ডে মৌসুমে ৪২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অভ্যন্তরীণ ভ্রমণ করেছেন।

চীন ধীরে ধীরে দেশটির ভ্রমণ অঞ্চলগুলো উন্মুক্ত করে দিতে শুরু করেছে এবং এরই মধ্যে জাপান ও সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কোয়ারেন্টিনমুক্ত ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বৈশ্বিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণের হালনাগাদ তথ্য সম্বলিত কিউআর কোড প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের শেষ দিকে চীনের উহান শহর থেকেই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের সব দেশে। যা এখনও স্বাভাবিক জনজীবনকে চোখ রাঙিয়ে আকান্ত আর মৃত্যুর দূত হয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এক দেশ থেকে অন্য দেশ।

সম্পাদনায়: তাহের রাব্বী

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status