ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ২৫ জুন ২০২৬ ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Monday, 22 February, 2021, 4:24 PM

দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না

দয়া করে কেউ এড়িয়ে যাবেন না

আমি শান্তা পাল। আমি একজন মডেল, অভিনেত্রী এবং কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টিভ। চেষ্টা করেছি অনেক কষ্ট করে  মিডিয়াতে একটি সুন্দর জায়গা করতে এবং আস্তে আস্তে আস্তে সফলতার দিকে এগিয়ে  যেতে।  
কিন্তু আমার  সাথে  একটি বিচিত্র ধরনের মোমেন্টস তৈরি হয় ,সম্প্রতি….দেরি না করে সেই কথাটি বলি-
আমি যেহেতু বাংলাদেশে আছি সেহেতু এই সময়কে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু শেখার উদ্দেশ্যে আমি মিস ইউনিভার্স-২০২১ এর মঞ্চে উপস্থিত হই এবং ৮/১০  জনের মতো আমিও খুবই সাধারণ পরিবারের মেয়ে হয়ে ওখানে অডিশন দিতে  চেয়েছিলাম। তাই আমি চুপ করে লাইনে দাঁড়িয়ে বসেছিলাম, আমার মনে হয় প্রায় তিন ঘন্টা আমি লাইনে বসে বসে ছিলাম  এবং অপেক্ষায় ছিলাম কখন আমার অডিশন শুরু হবে। এর মধ্যে আমি দেখতে পাই আমাদের সিনিয়র মডেল তানজিলা জামান মিথিলাকে। যিনি অলরেডি বলেছেন যে উনি বলিউডে ফিল্ম করছেন এবং অনেক ভালো ভালো কাজ করছেন এবং তার এই সাফল্যে আমরা সবাই খুশি, তিনি আরও এগিয়ে যাবেন এই প্রত্যাশা সবসময় করি।

কিন্তু মিথিলা আপু তেমন অপেক্ষা না করেই বেরিয়ে যান। আমি স্পষ্ট দেখলাম, যেখানে আমি তিন ঘন্টা ধরে অপেক্ষা করে বসে আছি  সেখানে অডিশন না দিয়েই মিথিলা আপু ভেন্যু থেকে বের হয়ে গেলেন  এবং উনি ফিরে এসে অডিশন দেননি কারণ অডিশনের শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত আমি ছিলাম।  এবং ওখানকার সহকর্মী ফটোগ্রাফার এবং চ্যানেলের সবাই বলেন মিথিলা আপু চলে গেছেন. শুরু থেকে শেষ অব্দি উনাকে আর দেখতে পারিনি।

কিন্তু প্রতিযোগিতার রেজাল্ট প্রকাশ হওয়ার পর জানলাম, উনি টপ ৫০-এ জায়গা করে নিয়েছেন। খবরটি শুনে আমি বেশ অবাক হয়েছি। এ ব্যাপারে আমি মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞেস করেছিলাম টেলিফোনের মাধ্যমে- কী ব্যাপার, মিথিলা আপু টপ ফিফটি পর্যন্ত জায়গা করে নিয়েছে কিন্তু উনিতো অডিশনই দেননি। উত্তরে তারা আমাকে জানায়, অডিশন উনার হয়েছে অনেক লাস্টে। তখন আমি ওনাকে জানাই সবার শেষে ওনার অডিশন হলো কিভাবে, আমি তো শেষ পর্যন্ত ছিলাম।

এমনকি স্টুডিও বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বের হয়েছি। আমি প্রশ্ন করি, আপনারা কি উনার পার্সোনাল অডিশন নিয়েছিলেন? তাহলে সেই ক্ষেত্রে তো আমরা সবাই পার্সোনাল ইন্টারভিউয়ের জন্য আশা করতেই পারি, বলেন ভাইয়া! এটা শোনার পর উনারা ফোন কেটে দিয়েছেন। তার মানে আমরা এখন এটাই বুঝতে পারব যে অডিশন নেওয়া জাস্ট একটি শোঅফ ছিল, ট্যালেন্টেড প্রার্থী না দিয়ে যারা ঘন্টার পর ঘন্টা বাইরে উপস্থিত থেকে জাস্ট অডিশনের জন্য এসে বসেছিল তাদের কি কোন দাম নেই। আমাদের ট্যালেন্ট এর কি কোন দাম নেই।?

যেখানে আমরা সবাই তিন থেকে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করি সেখানে পার্সোনাল ভাবে সবার শেষে যেখানে যখন কেউ থাকে না তখন অডিশন দেওয়ার মানে কি?

সম্পাদনায়: এম আলমগীর

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status