|
করোনা আইসোলেশনে থাকা চিকিৎসকের কাণ্ড!
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() করোনা আইসোলেশনে থাকা চিকিৎসকের কাণ্ড! এ ক্ষেত্রে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক মো. সফিউল্লাহ আরাফাতের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আইসোলেশন সেন্টারে দায়িত্ব পালনের তিনদিনের মাথায় তিনি হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করেন বলে অভিযোগ উঠে। এর আগে, করোনা আক্রান্ত হয়েও শ্যামল রঞ্জন দেবনাথ নামে অপর এক চিকিৎসকের রোগী দেখা নিয়ে বেশ সমালোচনা হয়। হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের ওই চিকিৎসক করোনা পজেটিভ অবস্থায় গত সপ্তাহে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে রোগী দেখেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের নিচতলায় করোনা রোগীদের জন্যে মোট ৫০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ড রয়েছে। যেখানে ২০ জনের বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। তবে গত ৪ ও ৫ জুলাই সেখানে দায়িত্ব পালন করেন সফিউল্লাহ আরাফাত নামে এক চিকিৎসক। বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর নাগাদ তিনি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রোগী দেখেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. ওয়াহিদুজ্জাম সাংবাদিকদেরকে জানান, আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের তিন থেকে চারদিন পর নমুনা পরীক্ষা করে যদি নেগেটিভ আসে, তাহলে তাকে আমরা কাজের অনুমতি দেব। জনবল সংকটের কারণে এটা করা হচ্ছে। ওই চিকিৎসককে নমুনা পরীক্ষার ফল নিয়ে কাজে আসতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ্ জানান, করোনায় আক্রান্ত রোগীদের আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনের পর দুই সপ্তাহ নিয়ম এবং বিধান অনুযায়ী কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হয়। কারণ যিনি ওই ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন কিনা সেটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য। যদি করোনায় আক্রান্ত হয়ে থাকেন, তাহলে তার মাধ্যমে অন্যদের সংক্রমণের ঝুঁকি রয়েছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
