ই-পেপার সোমবার ● ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ● ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ● ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩
পেটে কাচি রেখে সেলাই করা চিকিৎসকদের খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি!
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Tuesday, 21 December, 2021, 8:53 PM

পেটে কাচি রেখে সেলাই করা চিকিৎসকদের খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি!

পেটে কাচি রেখে সেলাই করা চিকিৎসকদের খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি!

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক তরুণীর পেটে অস্ত্রোপচারের পরে পেটের মধ্যেই কাচি রেখে সেলাই করা এবং ৬৪৩ দিন পর বের করার ঘটনার তদন্তে গঠিত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে।
‘পেটে কাচি রেখে সেলাই’ করা চিকিৎসকদের খুঁজে পায়নি তদন্ত কমিটি!


প্রতিবেদনে এ ঘটনার জন্য কে দায়ী তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত করা হয়নি কিংবা কারও বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশও করা হয়নি। বিদেশি কয়েকটি নিবন্ধের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে এ জাতীয় ঘটনা আগেও ঘটেছে। ওই প্রতিবেদনে অস্ত্রোপচারের সময় অধিক সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক সাইফুর রহমানের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন তুলে দেয় গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি।

তদন্ত প্রতিবেদনে চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ না থাকা এবং চিকিৎসকদের দায়ী না করায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। এ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছেন ওই তরুণীর পরিবার।

এদিকে, তদন্ত কমিটির রিপোর্টটিতে চিকিৎসকদের বাঁচানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা তদন্ত কমিটির সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছেন।

গঠিত তদন্ত কমিটির সভাপতি ছিলেন সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কামরুল হাসান। অপর দুই সদস্যের মধ্যে ছিলেন গাইনি বিভাগের অধ্যাপক কানিজ ফাতেমা ও সার্জারি বিভাগের মো. কামরুজ্জামান।

ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক সাইফুর রহমান বলেন, তদন্ত কমিটি কার গাফিলতিতে পেটে কাচি রাখার ঘটনাটি ঘটেছে তা শনাক্ত করতে পারেনি। পাশাপাশি ওই অস্ত্রোপচারের সঙ্গে যুক্ত কারও ব্যাপারে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করেনি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২০২০ সালের ৩ মার্চ সার্জারি ইউনিট-দুই এর দায়িত্বে নিয়োজিত সহযোগী অধ্যাপক মোল্লা সরফউদ্দিনের অধীনে এ অস্ত্রোপচারের সময় আরও তিন থেকে চারজন চিকিৎসক অংশ নেন।

পরিচালক বলেন, ওই প্রতিবেদনে বিশ্বের বিভিন্ন জার্নালের উদ্বৃতি দিয়ে বলা হয়েছে এ জাতীয় ঘটনা রেয়ার নয়। এর আগেও বিভিন্ন দেশে অস্ত্রোপচারের সময় এ জাতীয় ঘটনা ঘটেছে।

প্রসঙ্গত মনিরা খাতুন (১৯) গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ঝুটি গ্রামের বাসিন্দা খাইরুল মিয়ার মেয়ে। ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে গত ২০২০ সালের ৩ মার্চ ওই মেডিকেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগ ইউনিট টু-তে এ অস্ত্রোপচার করা হয়। ওই সময় একটি কাচি মনিরার পেটে রেখে সেলাই করে দেন চিকিৎসক। ওই ঘটনার পৌনে দুইবছর পর গত ১১ ডিসেম্বর হাসপাতালেই পুনরায় অস্ত্রোপচার করে তরুণীর  পেট থেকে কাচিটি বের করা হয়।



« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status