|
পল্লবী থানা ছাত্রলীগের ভিন্ন চিত্র
অ্যডভোকেট ইমরুল কায়েস
|
![]() পল্লবী থানা ছাত্রলীগের ভিন্ন চিত্র বিষয়টি সাথে সাথে জাতীয় প্রচার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কেউ কেউ ঘটনার সাথে ছাত্রলীগকে জড়িয়ে দেবার চেষ্টা করে। অথচ সেদিনের ঐ হাতাহাতির বিষয়টি সারা দেশের লোক জানলেও আশেপাশের কেউ টেরই পায়নি। তবে ঐ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পল্লবী থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ আহম্মেদ চৌধুরী (আবীর), ইসমাইল হোসেন চৌধুরী (সবুজ) সহ সভাপতি পল্লবী থানা ছাত্রলীগ, এস এম মোজাম্মেল হক- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পল্লবী থানা ছাত্রলীগ, আরিফুজ্জামান খান (পাভেল)- সাংগঠনিক সম্পাদক পল্লবী থানা ছাত্রলীগ, মেহেদী হাসান হীরা (রাজ)- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্রলীগ, শেখ বর্ষন আহম্মেদ- সাবেক সভাপতি বাঙলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ছাত্রলীগ, মো: রকি হোসেন-সাবেক সহ সম্পাদক ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগ, অন্তর আহম্মেদ - সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাঙলাদেশ জার্মান টেকনিক্যাল ছাত্রলীগ, ইমতিয়াজ আহম্মেদ (অনিক)-যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সরকারি বঙ্গবন্ধু কলেজ ছাত্রলীগ সহ পল্লবী থানা ছাত্রলীগের মাসুম, সিথিল, জাহিদ, আকাশ, সিয়াম, অমিত, সাইফুল, সৈকত, মুস্তাকিন দের অসাধারণ সামাজিক কর্মকান্ডের কথা এবং সমাজ ও সাধারণ মানুষের সাথে সামাজিকভাবে মিশে যাওয়ার বিষয়টি প্রকাশ হয়ে পড়ে। ছাত্রলীগের উল্লেখিত ব্যক্তিবর্গ পবিত্র রমজানে সাধারণ ও অসহায় মানুষকে ইফতারি খাওয়ানোর জন্য নিজরাই নিজেদের টাকা দিয়ে নিজ হাতে ইফতারি প্রস্তুত ও বিতরণ শুরু করে ১ম রোজা হতেই। তারা ২ নং ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টারের সামনে প্যান্ডেল টাঙ্গিয়ে ছাত্রলীগের ব্যানারে এটা করছে। বিএনপির ইফতার পার্টিতে গোলযোগের কারনে কমিউনিটি সেন্টারের ভিতর হতে বের হয়ে পড়া বিএনপির সাধারণ সমর্থকদেরকে ছাত্রলীগের ছেলেরা ডেকে ডেকে চেয়ার বসিয়ে ইফতারি দিয়েছে। এই ঘটনা দেখে আশেপাশের মানুষ উল্লাসিত। ছাত্রলীগের এই ছেলে গুলি সাধারণ মানুষকে ইফতারি খাওয়াতে এসে নিজের বাসায় পরিবারের সাথে ইফতারি করতে পারছেনা। এরা ইফতারির সব কাজ নিজেরাই নিজ হাতে সম্পাদন করে যা এই শহরে কল্পনা করা যায়না। প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাদের ইফতার পার্টি দিতে নিষেধ করেছে এবং সাধারণ মানুষকে খাদ্য দিতে বলেছে। নেতারা ইফতার বিসর্জন দিলেও সাধারণ মানুষকে কিছু দিতে বের হয়নি। আর মাত্র কয়েকমাস আগে হওয়া পল্লবী থানা ছাত্রলীগের নেতারা অন্যান্য ছাত্রলীগ নেতাদের নিয়ে মাসব্যপি নিজ হাতে ইফতারের যে দৃশ্য রচিত করেছে তা ইতিপূর্বে এই এলাকায় দেখা যায়নি। শুধু তাই নয় , এলাকার মুরুব্বীরা জানায়--ছেলে গুলির সামাজিক আচরণ ও কর্মকান্ড সন্তোষজনক। যে মূহুর্তে সরকারের ছোট খাটো নেতার তোড়ফোড়ে নিজ দলেরই সাধারণ মানুষ দূরে সরে গেছে, আর সাধারণ মানুষ নিরুদ্দেশ তখন আবীর পাভেলদের এই নীরব সামাজিক কার্যক্রম অবাক বিষয় এবং এক বিন্দু সামাজিক আলো। মন্দ কথা প্রচার হয় প্রতিমূহুর্তে চারিদকে আগ্রহ ভরে, ভালো কাজের কথা গুলোরও প্রকাশ ঘটানো প্রয়োজন উৎসাহ প্রদানে। সামনে নির্বাচন তাই সরকার দলীয় এতদিন ঘোড়ার গতিতে মাল কামানো নেতাদের উচিত ছিলো এই রমজানে সাধারণ মানুষকে প্রচুর সহায়তা করা । কিন্তু সেই দৃশ্য দেখা যায়নি, দেখা যাচ্ছে আবীর পাভেলদেরকে , যারা সামর্থ্যরে সবটুকু উজাড় করে দিয়েছে।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
কলেজছাত্র কুপিয়ে হত্যার প্রতিবাদে হাতকাটা হুসাইন’ ও তার সহযোগীদের ফাঁসির দাবি
বাগমারায় ভুয়া চিকিৎসককে ৬ মাসের কারাদণ্ড, ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ২ লাখ টাকা জরিমানা
ফুলবাড়ীতে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬ এর উদ্বোধন
ভান্ডারিয়ায় প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা
