আদেশে বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার বর্তমানে অবস্থানকালীন, গুলশানস্থ বাসভবন ও চলাচলের নিমিত্তে পুলিশ এসকর্ট বরাদ্দসহ যথোপযুক্ত সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
২০১৪ সালে বিরোধীদলীয় পদ হারানোর পর পুলিশ এসকর্ট প্রত্যাহার করেছিল তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার।
এর আগে গত ৬ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসনকে কারাবন্দি থেকে মুক্তি দেয়া হয়। বঙ্গভবনের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সঙ্গে তিন বাহিনীপ্রধান, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে খালেদা জিয়াকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।
এদিকে পাসপোর্টও ফিরে পেয়েছেন খালেদা জিয়া। ৬ আগস্ট তার পাসপোর্ট নবায়নের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। পরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসনের পক্ষে তার প্রতিনিধির কাছে নবায়ন করা মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) হস্তান্তর করা হয় বলে জানা গেছে।
দুই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে খালেদা জিয়া ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি কারাবন্দি হন। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ সরকার নির্বাহী আদেশে সাজা স্থগিত করে শর্ত সাপেক্ষে মুক্তি দিয়েছিল।
এরপর ছয় মাস পরপর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার সাজা স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়। তবে সাজা স্থগিতের সময় তার স্বাভাবিক চলাচল ছিল না। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি।