|
নেত্রকোণায় মুদির দোকানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() নেত্রকোণায় মুদির দোকানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ এ ঘটনায় নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের পূর্ব চরপাড়া গ্রামের মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দীন খানের স্ত্রী ও আগুনে পুড়ে যাওয়া মুদির দোকানদার সালাউদ্দিন খানের মা রুকসানা আক্তার বারহাট্টা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে বারহাট্টা থানাধীন ফকিরের বাজারের ফাঁড়ি পুলিশের কাছে দায়িত্ব দেন। অভিযুক্তরা হলেন - পূর্ব চরপাড়া গ্রামের মৃত মাকুল মিয়া ছেলের রাকিব মিয়া (২৭), সাকিব মিয়া (২৫), একই গ্রামের আলতু মিয়ার ছেলে আতিকুল ইসলাম (২৬), মৃত ফরজ আলীর ছেলে সুজন মিয়া(৪০)। গতকাল শুক্রবার (১৭ জানুয়ারী) বিকেল আনুমানিক পাঁচটার দিকে বারহাট্টা থানাধীন ফকিরের বাজারের ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই আনিসুর রহমানের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, তিনি জানান এসআই আবদুল কাদের তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত করছেন। তদন্ত শেষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। লিখিত অভিযোগে জানান, অভিযুক্ত রাকিব গত রোববার (৫ জানুয়ারী) মসজিদে সাদাকাপড় রাখা নিয়ে চিৎকার করতে থাকে এক পর্যায়ে গালিগালাজ শুরু করে ওই সময় সালাউদ্দীন খান অভিযুক্ত রাকিবকে ছোট ভাইয়ের মতো মনে করে একটি চড়থাপ্পড় দিয়ে গালিগালাজ বন্ধ করতে বলে। সেই সঙ্গে সালাউদ্দিন খান আরও বলে যদি ভুল করে থাকি তাহলে বিচার করিস গালিগালাজ করতেছিস কেন? এরপর রাকিব খবর দিয়ে আরো লোকজন এনে দেশীয় লাঠিশোটা দিয়ে সালাউদ্দিন খানের ওপর হামলা চালায়। অভিযুক্তরা সালাউদ্দিন খানকে মারধোর করে ফজলুর রহমানের দোকানে নিয়ে তুলে। ওইদিন ঘটনাস্থলে থাকা এলকার লোকজন থামানোর চেষ্টা করলেও অভিযুক্তরা এলাকার লোকজনকে তোয়াক্কা করেননি। হামলা চালিয়ে সালাউদ্দিন খান কে গুরুতর নিলাফোলা জখম করে। পরবর্তীতে স্থানীয় দরবার সালিশির মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে মাপ চায় এবং ভবিষতে আর এমন করবে না বলেও জানায়। লিখিত অভিযোগে রুকসানা আক্তার আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারী) মসজিদের সভায় গিয়েছিলো রুকসানা আক্তারের দেবরের ছেলে রিংকেল। ওইসময় রিংকেল কে অভিযুক্তরা গালিগালাজ করে। তখন উভয়ের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। এই মারামারির পর থেকেই অভিযুক্তরা সালাউদ্দিন খান এর ওপর পরিশোধ নেওয়ার জন্য গত বুধবার (১৫ জানুয়ারী) রাত আনুমানিক সাড়ে বারোটার সময় রাতের আধারে ফকিরের বাজারের পূর্ব বাজারে সালাউদ্দিন খানের মুদির দোকানে আগুন দিয়ে সবকিছুই পুড়িয়ে ফেলে। এতে করে দোকানের আনুমানিক ২ লাখ টাকার মালামাল এবং দোকান ঘরের আনুমানিক ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাৎক্ষণিক স্থানীয় চৌকিদারের মাধ্যমে আগুনের খবর প্রথমেই বারহাট্টা থানাধীন ফকিরের বাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আনিসুর রহমানকে অবগত করা হয়। তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। রুকসানা আক্তার বলেন, তাঁর ছেলে মোঃ রাসেল খান পুলিশে কর্মরত চট্টগ্রামে ও মেয়ে ইতি আক্তার পুলিশে কর্মরত ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানায়।
|
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
