ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩
ফারদিনের মৃত্যু: আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন বুশরা
নতুন সময় প্রতিনিধি
প্রকাশ: Monday, 25 August, 2025, 10:16 AM
সর্বশেষ আপডেট: Monday, 25 August, 2025, 10:23 AM

ফারদিনের মৃত্যু: আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন বুশরা

ফারদিনের মৃত্যু: আত্মসমর্পণের পর জামিন পেলেন বুশরা

বুয়েট শিক্ষার্থী ফারদিন নূর পরশের মৃত্যুর মামলায় তার বন্ধু আমাতুল্লাহ বুশরা জামিন পেয়েছেন। রোববার ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান বুশরা।

শুনানি শেষে বিচারক মিনহাজুর রহমান তার স্থায়ী জামিন বাতিল করে মামলার পরবর্তী ধার্য দিন পর্যন্ত জামিন দেন বলে বাদী পক্ষের আইনজীবী জানিয়েছেন। মামলার পরবর্তী ধার্য তারিখ আগামী ২০ সেপ্টেম্বর। বাদীপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মিফতাহুর রহমান। আর বুশরার পক্ষে ছিলেন এ কে এম হাবিবুর রহমান (চুন্নু)।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির এএসপি মশিউর রহমান গেল ধার্য তারিখ ২১ অগাস্ট বুশরাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করেন। তবে বুশরা আদালতে হাজির হননি। এর আগেও কয়েকটা ধার্য তারিখে তিনি আদালতে হাজির হননি। তাই, আদালত তার জামিন বাতিল করেন।

এদিন আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন বুশরা। পরীক্ষার কারণে আদালতে হাজির হতে পারেননি মর্মে আদালতকে জানান। ২০২২ সালের ৪ নভেম্বর নিখোঁজ হওয়ার পর ৭ নভেম্বর বিকালে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ফারদিনের মরদেহ উদ্ধার করেছিল নৌ-পুলিশ৷

তিনি নিখোঁজ হওয়ার আগে তাকে সর্বশেষ রামপুরা এলাকায় বুশরার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল। সে কারণে রামপুরা থানাতেই একটি জিডি করেছিলেন ফারদিনের বাবা কাজী নূরউদ্দিন রানা। ছেলের লাশ পাওয়ার দুদিন পর ১০ নভেম্বর ভোরে তিনি রামপুরা থানাতেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন, সেখানে বুশরাকেই একমাত্র আসামি করা হয়।

২৪ বছর বয়সী ফারদিন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং ক্লাবের যুগ্ম-সম্পাদকও ছিলেন ফারদিন। আর তার বন্ধু আমাতুল্লাহ বুশরা পড়েন ঢাকার ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে রামপুরার বনশ্রী এলাকায় মেসে থাকতেন তিনি।

বছর পাঁচেক আগে এক বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ফারদিনের সঙ্গে তার পরিচয় হয় বলে ফারদিনের বাবা জানিয়েছিলেন। ফারদিনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে দুই মাস কারাগারে আটক থাকার পর ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি জামিন পান বুশরা। দুদিন পর ১০ জানুয়ারি তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সে বছর ৬ ফেব্রুয়ারি বুশরার অব্যাহতি চেয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা-ডিবির পরিদর্শক ইয়াসিন শিকদার। তবে ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত প্রতিবেদনে নারাজির আবেদন করেন ফারদিনের বাবা। আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করে সিআইডিকে মামলা অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status