ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ৩১ আগস্ট ২০২৬ ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩
কনকনে শীতে শরীরের জন্য জরুরি ৫ ভিটামিন
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 6 January, 2026, 2:35 PM

কনকনে শীতে শরীরের জন্য জরুরি ৫ ভিটামিন

কনকনে শীতে শরীরের জন্য জরুরি ৫ ভিটামিন

শীতে আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের শরীরেও এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে ঠান্ডা তাপমাত্রায় ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এ সময় রোগ প্রতিরোধক্ষমতা শক্তিশালী রাখা অত্যন্ত জরুরি। ২০২৩ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ঠান্ডায় ভাইরাস খুব সহজেই মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে, তবে সঠিক পুষ্টি ও সচেতনতায় এই ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

চিকিৎসকদের মতে, শীতকালে শরীর সুস্থ রাখতে নির্দিষ্ট পাঁচটি ভিটামিন ডায়েটে রাখা অপরিহার্য।

রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করতে প্রথমত ভিটামিন সি-এর কোনো বিকল্প নেই। এটি শরীরের শ্বেত রক্তকণিকার কার্যকারিতা বাড়িয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।

লেবু, কমলা, পেঁপে, আনারস এবং সবুজ শাকসবজি ভিটামিন সি-এর চমৎকার উৎস। এছাড়া প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কাঁচা মরিচ বা পুদিনাপাতা রাখলে এই ভিটামিনের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

শীতের ছোট দিনে সূর্যের আলোর অভাবে শরীরে ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি দেখা দেয়। অথচ সর্দি-কাশির মতো সংক্রমণ কমাতে এই ভিটামিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হাড়ের সুরক্ষা ছাড়াও এটি ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। সূর্যের আলো ছাড়াও ডিমের কুসুম, চর্বিযুক্ত মাছ এবং মাশরুম থেকে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

শরীরের কোষগুলোকে অক্সিডেটিভ ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে ভিটামিন ই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি টি-কোষের সুরক্ষা নিশ্চিত করে শরীরকে সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচায়। বাদাম, উদ্ভিজ তেল, আভোকাডো এবং সামুদ্রিক মাছ ভিটামিন ই-এর প্রধান উৎস হিসেবে পরিচিত।

দৃষ্টিশক্তির পাশাপাশি শীতকালীন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম স্তর হিসেবে কাজ করে ভিটামিন এ। এটি আমাদের শ্বাসযন্ত্র এবং পাচনতন্ত্রের শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। গাজর, পালংশাক, কুমড়া, টমেটো এবং ছোট মাছের মতো রঙিন শাকসবজি ও ফলমূল ভিটামিন এ-তে ভরপুর থাকে।

সবশেষে শরীরের জৈব রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া ঠিক রাখতে এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদনের জন্য ভিটামিন বি৬ ও বি১২ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। ‘ইউরোপীয় জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনে’ প্রকাশিত ২০০৬ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, ভিটামিন বি৬ গুরুতরভাবে অসুস্থ ব্যক্তিদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা উন্নত করতে পারে। এটি ইমিউন কোষ এবং অ্যান্টিবডি উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত। এটি জৈব রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া তৈরি করে, যা শরীরকে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে।

ওটস, দুধ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ এবং বিভিন্ন ধরনের ডাল জাতীয় খাবারে এই ভিটামিনগুলো পাওয়া যায়। বিশেষ করে যারা ঘন ঘন ভাইরাল সংক্রমণে আক্রান্ত হন, তাদের জন্য ভিটামিন বি-এর এই ধরনগুলো রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে।

এই শীতে খাদ্যাভ্যাসে এই ভিটামিনগুলোর উপস্থিতি নিশ্চিত করলে সুস্থ থাকা অনেকটা সহজ হবে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status