ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
মিয়ানমারে চলছে সামরিক বাহিনী পরিচালিত নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Sunday, 11 January, 2026, 11:57 AM

মিয়ানমারে চলছে সামরিক বাহিনী পরিচালিত নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট

মিয়ানমারে চলছে সামরিক বাহিনী পরিচালিত নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোট

গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে সামরিক বাহিনীর পরিচালনায় পাঁচ বছরের মধ্যে প্রথম সাধারণ নির্বাচনের তিন পর্বের মধ্যে দ্বিতীয় পর্বের ভোটগ্রহণ চলছে।

রয়টার্স জানিয়েছে, রোববার স্থানীয় সময় সকালে ভোটাররা কেন্দ্রগুলোতে হাজির হয়ে লাইন ধরে ভোট দিতে শুরু করেছে।

দুই সপ্তাহ আগে ২৮ ডিসেম্বর প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণের মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন শুরু হয়। ওই পর্বে ৫২ শতাংশ ভোট পড়েছিল বলে দেশটির সামরিক জান্তা জানিয়েছিল। যা ২০২০ ও ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ভোটার উপস্থিতির তুলনায় অনেক কম।

দেশটিতে ২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে এটি প্রথম নির্বাচন। চলমান গৃহযুদ্ধের মধ্যেই এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

রয়টার্স লিখেছে, দেশটির ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তাকে বৈধতা দিতে এ নির্বাচনের আয়োজন করা হয়েছে আর এতে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলদের নেতৃত্বে গঠিত সামরিক বাহিনীপন্থি ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টিই আবার ক্ষমতায় আসবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।

প্রথম পর্বে দেশটির পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের ১০২টি আসনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এই পর্বে ইউনিয়ন সলিডারিটি এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি ৯০টি আসনে জয় পায়।

২৫ জানুয়ারি চূড়ান্ত পর্বের ভোট গ্রহণ করা হবে। দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত পর্বে মিয়ানমারের ২৬৫টি প্রশাসনিক অঞ্চলের (টাউনশিপ) মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হবে। এসব অঞ্চলের মধ্যে এমন এলাকাও আছে যেখানে জান্তার পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেই।

সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, দেশটির ৩৩০টি প্রশাসনিক অঞ্চলের (টাউনশিপ) মাধ্যমে ৫৬টিতে ভোট হবে না। এর পাশাপাশি আরও তিন হাজার গ্রাম ও ওয়ার্ড এলাকা নির্বাচনের বাইরে আছে। বিশ্লেষকদের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির প্রায় এক তৃতীয়াংশ নির্বাচনের বাইরে থাকছে।

জাতিসংঘ, কিছু পশ্চিমা দেশ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে না। কারণ এতে জান্তাবিরোধ রাজনৈতিক দলগুলোকে অংশ নিতে দেওয়া হয়নি আর নির্বাচনের সমালোচনাকে আইনি করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

দেশটির নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী নেত্রী অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসিসহ প্রায় ৪০টি দলকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দলটি ২০১৫ ও ২০২০ সালে বিপুল জয় পেয়েছিল। সু চি ও দলের বহু শীর্ষ নেতাকে কারাবন্দি করা হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ব্যাপক সমালোচনা রয়েছে। দলটির অনেক নেতা নির্বাসনেও রয়েছেন।

ভোটে বাধা দেওয়া বা বিরোধিতা করার অভিযোগে নতুন একটি আইনের আওতায় ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই আইনে মৃত্যুদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

পর্যবেক্ষকদের ভাষ্য, অচলাবস্থা থেকে বেরোনোর পথ খোঁজা চীনের সমর্থনপুষ্ট জান্তা সরকার নিজেদের বৈধতা তৈরি করে ক্ষমতাকে আরও পাকাপোক্ত করতে চাইছে।


পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status