|
নিরাপত্তা চেয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করলেন ওসমান হাদির ভাই
নতুন সময় প্রতিবেদক
|
![]() নিরাপত্তা চেয়ে শাহবাগ থানায় জিডি করলেন ওসমান হাদির ভাই বিষয়টি নিশ্চিত করে শাহবাগ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ওসমান হাদির ভাই একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন। তবে তিনি নির্দিষ্ট কোনো হুমকি বা ঘটনার কথা উল্লেখ করেননি। নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কথা বলেছেন।’ তিনি আরও জানান, জিডির বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ওমর বিন হাদি তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে শহীদ ওসমান হাদি ও তার মায়ের একটি ছবি পোস্ট করেন। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, ‘আমি ওসমান হাদির ভাই প্রমাণ করার জন্য একটি ছবি পাইছি। ভাই তোমরা হাদির যা ছিলো সব নিয়ে নেও, এমনকি তার বউকে নিয়ে নাও, শুধু আমার সন্তানটা আমাকে দিয়ে দেও, প্লিজ, তাকে নিয়ে আমি ইউকে চলে যাবো নিরাপদ বসবাসের জন্য।’ এই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পোস্টটিতে কমেন্ট করেন ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম সম্পা। তিনি লেখেন, ‘ভাইয়া আপনি ইউকে যাবেন খুব ভালো, তবে আমার ফিরনাসকে নিয়ে কেনো টানাটানি? ফিরনাস বাদে আমার আর আছে কি! আমি সরকারের জব অফারও ফিরিয়ে দিয়েছি।’ বিষয়টি আরও আলোচনায় এলে ওমর বিন হাদি পরে তার পোস্টটি মুছে দেন। এরপর রাবেয়া ইসলাম সম্পা ওই পোস্টের স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে লেখেন, ‘মেজ ভাইয়া, ওসমান হাদির বউ কোনো প্রোডাক্ট না যে কেউ চাইলেই নিয়ে নিবে। আর আমার সোনার ডিম পাড়া হাঁসকে সবাই নিতেই চাইবে—এটাই স্বাভাবিক। বাই দ্য ওয়ে ফিরনাসের বাপ একজনই, শহীদ ওসমান হাদি।’ তার এই পোস্টও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। গত ১৫ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার ওমর বিন হাদিকে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব পদে তিন বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়। এর আগে তার নিরাপত্তার জন্য সরকার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পরিবহন পুল থেকে একটি গাড়ি ও একজন গানম্যান প্রদান করেছিল। শরীফ ওসমান হাদি জুলাই অভ্যুত্থান ও পরবর্তী বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে বিজয়নগর এলাকায় গণসংযোগের সময় তিনি হামলার শিকার হন। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তার প্রাণ রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
