|
সংসদে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার পক্ষে জোরালো কণ্ঠ: এমপি ফরিদের বক্তব্যে মুগ্ধ জনতা
নতুন সময় প্রতিনিধি
|
![]() সংসদে মহেশখালী-কুতুবদিয়ার পক্ষে জোরালো কণ্ঠ: এমপি ফরিদের বক্তব্যে মুগ্ধ জনতা জাতীয় সংসদে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন সাংসদ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সংসদে বক্তব্য প্রদানকালে এমপি ফরিদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় বিদেশে থেকে দলকে সুসংগঠিত রাখার পর যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মহেশখালীবাসীর সেবায় তাকে টানা তৃতীয়বারের মতো মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। একইসঙ্গে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় মহেশখালীবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংসদে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ছিল—লবণ চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, চিংড়ি ও পানসহ স্থানীয় উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সুবিধা বৃদ্ধি, এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা। এছাড়া উপকূলীয় এই অঞ্চলের জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ওপর জোর দেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার মানুষ বারবার দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির কথা স্মরণ করে তিনি নতুন করে আধুনিক সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের দাবি জানান। এমপি ফরিদ মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী মিষ্টাপানকে জিআই (Geographical Indication) স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করেন, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো সংসদে জোরালোভাবে উপস্থাপন করায় এমপি ফরিদ সত্যিকার অর্থেই জনমানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যাশা এখন এলাকাবাসীর সংসদে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলেই বদলে যেতে পারে উপকূলীয় এই জনপদের চিত্র। জাতীয় সংসদে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি-দাওয়া তুলে ধরে প্রশংসায় ভাসছেন সাংসদ আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সংসদে বক্তব্য প্রদানকালে এমপি ফরিদ বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের প্রতি দীর্ঘদিনের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় বিদেশে থেকে দলকে সুসংগঠিত রাখার পর যোগ্য নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান মহেশখালীবাসীর সেবায় তাকে টানা তৃতীয়বারের মতো মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। একইসঙ্গে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত করে সংসদে কথা বলার সুযোগ দেওয়ায় মহেশখালীবাসীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংসদে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেন। এর মধ্যে ছিল—লবণ চাষিদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, চিংড়ি ও পানসহ স্থানীয় উৎপাদিত পণ্যের রপ্তানি সুবিধা বৃদ্ধি, এবং শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা। এছাড়া উপকূলীয় এই অঞ্চলের জন্য টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের ওপর জোর দেন তিনি। তিনি উল্লেখ করেন, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা হিসেবে মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার মানুষ বারবার দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। বিশেষ করে ১৯৯১ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানির কথা স্মরণ করে তিনি নতুন করে আধুনিক সাইক্লোন সেন্টার নির্মাণের দাবি জানান। এমপি ফরিদ মহেশখালীর ঐতিহ্যবাহী মিষ্টাপানকে জিআই (Geographical Indication) স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্থানীয় জনগণ ও সচেতন মহল মনে করেন, এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলো সংসদে জোরালোভাবে উপস্থাপন করায় এমপি ফরিদ সত্যিকার অর্থেই জনমানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মহেশখালী ও কুতুবদিয়ার উন্নয়ন ও দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রত্যাশা এখন এলাকাবাসীর সংসদে উত্থাপিত দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলেই বদলে যেতে পারে উপকূলীয় এই জনপদের চিত্র।। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
