|
ফাঁসির বাকি ১৫ ঘণ্টা, ছেলের খুনিকে নিঃশর্ত ক্ষমা করলেন বাবা
নতুন সময় ডেস্ক
|
![]() ছবি: সংগৃহীত স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম বন্দর এবং অভিযুক্তের নাম ইয়াসের। আদালতের রায়ে ইয়াসেরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের প্রস্তুতি চলছিল। তবে রায় কার্যকর হওয়ার প্রায় ১৫ ঘণ্টা আগে বন্দরের বাবা শেখ ইয়াহিয়া বিন কানস আল-বুশরি ঘোষণা দেন যে তিনি কোনো শর্ত ছাড়াই ঘাতককে ক্ষমা করে দিচ্ছেন। একসময় আর্থিকভাবে খুবই স্বচ্ছল হলেও বর্তমানে সাধারণ জীবনযাপন করেন শেখ ইয়াহিয়া। তবুও তিনি হত্যাকারীকে ক্ষমা করার বিনিময়ে প্রস্তাব করা বিপুল অঙ্কের 'ব্লাড মানি' গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান। তার ভাষ্য, পার্থিব কোনো লাভের জন্য নয়, বরং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের আশায় তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ক্ষমার খবরটি নিজে পৌঁছে দিতে তিনি ইয়াসেরের মায়ের বাড়িতে যান। সেখানে ঘটে আবেগঘন এক মুহূর্ত। ছেলের জীবন রক্ষা পাওয়ার সংবাদ শুনে ইয়াসেরের মা আবেগে আপ্লুত হয়ে শেখ ইয়াহিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে তার পায়ে চুমু খেতে উদ্যত হন। কিন্তু ইয়াহিয়া অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে তাকে থামিয়ে দেন। বরং তিনি ওই মায়ের কপালে স্নেহভরা চুম্বন এঁকে দিয়ে তাকে সান্ত্বনা দেন। এ সময় ইয়াসেরের পরিবারের অন্য সদস্যরাও সেখানে উপস্থিত হন। কান্নাজড়িত পরিবেশে শেখ ইয়াহিয়া তাদেরও বুকে টেনে নিয়ে সাহস জোগান। নিজের সন্তান হারানোর গভীর শোক বহন করেও অন্য একটি পরিবারকে নতুন জীবন ফিরিয়ে দেওয়ার এই ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। মানবতা, সহমর্মিতা ও ক্ষমাশীলতার এই বিরল দৃষ্টান্ত বিশ্বজুড়ে মানুষের হৃদয় স্পর্শ করেছে। |
| পূর্ববর্তী সংবাদ | পরবর্তী সংবাদ |
রেজাউর রহমান ফাহিম বনানী থানা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত
বনশ্রী সোসাইটি নির্বাচন: এগিয়ে বাতেন-দুলাল পরিষদ, যুগ্ম শিক্ষা ও ক্রীড়া সম্পাদক পদে রাশেদ আকন
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জরিপ নিয়ে আঞ্চলিক কর্মশালা
বিদেশে কাজের নামে ভয়াবহ প্রতারণা: ৭ বছরে পতিতাবৃত্তি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে ফিরলেন হাজার হাজার কর্মী
