ই-পেপার সোমবার ১৪ নভেম্বর ২০২২
ই-পেপার |  সদস্য হোন |  পডকাস্ট |  গুগলী |  ডিসকাউন্ট শপ
মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩
১০০ দিনেও ফেরেনি ইন্টারনেট, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে কী ঘটছে?
নতুন সময় ডেস্ক
প্রকাশ: Tuesday, 15 September, 2026, 4:16 PM

১০০ দিনেও ফেরেনি ইন্টারনেট, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে কী ঘটছে?

১০০ দিনেও ফেরেনি ইন্টারনেট, পাকিস্তান শাসিত কাশ্মীরে কী ঘটছে?

পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীরে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নির্বাচনি উত্তেজনার জেরে ১০০ দিনেরও বেশি সময় ধরে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর বিধিনিষেধ বহাল রয়েছে। জুনের শুরু থেকে অঞ্চলটিতে মোবাইল ডাটা ও ব্রডব্যান্ড সেবা আংশিক ও পূর্ণাঙ্গভাবে বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিক্ষোভের পর অঞ্চলটিতে তিন ধাপে স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, যার শেষ ধাপ সম্পন্ন হয় ১০ আগস্ট। নির্বাচনের পর নতুন সরকার গঠিত হলেও ইন্টারনেট সেবা স্বাভাবিক না হওয়ায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অনলাইন ব্যাংকিং ওয়েবসাইট ও অ্যাপ ব্যবহারে জটিলতা তৈরি হওয়ায় পুরো অঞ্চলে ডিজিটাল লেনদেন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। একই সাথে অনলাইনের সুবিধা না থাকায় শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবর্ষ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং সরকার বাধ্য হয়ে ভর্তি পরীক্ষাও পিছিয়ে দিয়েছে।

ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়টি পর্যবেক্ষণকারী বৈশ্বিক স্বাধীন সংস্থা 'নেটব্লকস' নিশ্চিত করেছে যে, গত ৫ জুন থেকে ওই অঞ্চলে আংশিক ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট বা সংযোগ বিচ্ছিন্নতার ঘটনা চলছে।

মূলত ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ২৭ জুলাইয়ের নির্ধারিত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। ৫ জুন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ তৃণমূলভিত্তিক সংগঠন ‘জম্মু কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি’ (জেকেজেএএসি)-কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। সংগঠনটি আইনসভায় শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত ১২টি আসন বাতিলের দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। এই নিষেধাজ্ঞার পরই কর্তৃপক্ষ কঠোর অবস্থান নেয় এবং ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করে দেয়, যা পরবর্তীতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের প্রাণঘাতী সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয় অধিবাসী ও বিভিন্ন সংগঠনের হিসাব অনুযায়ী, এসব রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাত সদস্যসহ নিহতের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়েছে। তবে মৃত্যুর এই সংখ্যা স্বাধীন কোনো মাধ্যম থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
উল্লেখ্য, কাশ্মীর ভূখণ্ডটি ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশই নিজেদের বলে দাবি করে থাকে। পাকিস্তান-শাসিত অংশটি একটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত ব্যবস্থার অধীনে পরিচালিত হয়, যেখানে নিজস্ব প্রধানমন্ত্রী ও ৪৫ সদস্যের আইনসভা রয়েছে। এই আইনসভার ১২টি আসন পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলে বসবাসকারী কাশ্মীরের শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত। সংঘাতময় পরিস্থিতির কারণে কয়েকটি বিক্ষোভপ্রবণ ঘাঁটিতে ভোট গ্রহণ সম্ভব না হলেও বাকি অংশের নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতেই নতুন সরকার গঠন করা হয়েছে।

পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক : নাজমুল হক শ্যামল
দৈনিক নতুন সময়, গ্রীন ট্রেড পয়েন্ট, ৭ বীর উত্তম এ কে খন্দকার রোড, মহাখালী বা/এ, ঢাকা ১২১২।
ফোন: ৫৮৩১২৮৮৮, ০১৯৯৪ ৬৬৬০৮৯, ইমেইল: info@notunshomoy.com
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি: এমদাদ আহমেদ | প্রকাশক : প্রবাসী মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন লি.-এর পক্ষে কাজী তোফায়েল আহম্মদ | কপিরাইট © দৈনিক নতুন সময় সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত | Developed By: i2soft
DMCA.com Protection Status